আন্তর্জাতিক ডলার কার্ড দিয়ে ফেসবুক অ্যাড চালানোর নিয়ম
আন্তর্জাতিক ডলার কার্ড দিয়ে ফেসবুক অ্যাড চালানোর নিয়ম রপ্ত করা সবারই প্রয়োজন। ডিজিটাল বিপণনের এই যুগে ফেসবুক অ্যাড আপনার ব্যবসা, ব্রাঞ্চ কিংবা কনটেন্ট কে বিশ্বব্যাপী লক্ষ্যবস্তুর কাছে পৌঁছে দিতে সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার।
আজকের এই আর্টিকেলে আপনি শিখবেন কিভাবে সহজে ধাপে ধাপে একটি ডলার ডমিনেটেড কার্ড তৈরি করবেন। ফেসবুক বিজনেস ম্যানেজারের সাথে সংযুক্ত করবেন এবং দক্ষতার সাথে আপনার ক্যাম্পেইন গুলো পরিচালনা করবেন।
পেজ সূচিপত্রঃ আন্তর্জাতিক ডলার কার্ড দিয়ে ফেসবুক অ্যাড চালানোর নিয়ম
- আন্তর্জাতিক ডলার কার্ড দিয়ে ফেসবুক অ্যাড চালানোর নিয়ম
-
আন্তর্জাতিক ডলার কার্ড কি এবং কেন ফেসবুক অ্যাড এর জন্য এটি
জরুরী
-
ফেসবুক অ্যাড এর জন্য উপযুক্ত ডলার কার্ড নির্বাচনের গাইড লাইন
-
বাংলাদেশ থেকে ডলার কার্ড পাওয়ার সহজ উপায় ও প্রক্রিয়া
-
ফেসবুক বিজনেস ম্যানেজারের ডলার কার্ড যুক্ত করার ধাপে ধাপের পদ্ধতি
-
ফেসবুক অ্যাড একাউন্টে কার্ড ভেরিফিকেশন ও সমস্যা সমাধান
-
ফেসবুক অ্যাড ক্যাম্পেইনে ডলার কার্ড ব্যবহার করে বাজেট সেটআপ
-
ডলার কার্ড দিয়ে ফেসবুক এড চালানোর সময় নিরাপত্তা ও প্রতারণা থেকে
সুরক্ষা
-
ফেসবুক অ্যাড এর জন্য ডলার কার্ডের ব্যালেন্স কিভাবে রিচার্জ করবেন
-
শেষ কথাঃ আন্তর্জাতিক ডলার কার্ড দিয়ে ফেসবুক অ্যাড চালানোর
নিয়ম
আন্তর্জাতিক ডলার কার্ড দিয়ে ফেসবুক অ্যাড চালানোর নিয়ম
আন্তর্জাতিক ডলার কার্ড দিয়ে ফেসবুক অ্যাড চালানোর নিয়ম সম্পর্কে এই ডিজিটাল যুগে প্রায় সবারই জানা প্রয়োজন। ফেসবুক অ্যাড বিশ্বব্যাপী আপনার পণ্য সেবা বা ব্র্যান্ডকে লক্ষ্য গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার। কিন্তু বাংলাদেশ থেকে ফেসবুক অ্যাড চালানোর ক্ষেত্রে অনেকেই আজকে চান পেমেন্ট প্রক্রিয়া নিয়ে সরাসরি বাংলাদেশি টাকার ডেবিট বা ক্রেডিট কাজ করে না। কারণ ফেসবুকের অ্যাড প্ল্যাটফর্ম আন্তর্জাতিক লেনদেনের জন্য ডিজাইন করা।
এখানেই একটি আন্তর্জাতিক ডলার কার্ড আপনার জীবন সহজ করে দিতে পারে। এই কার্ডটি আপনাকে স্থায়ী সীমাবদ্ধতা পেরিয়ে গ্লোবাল মার্কেটে আপনার এড ক্যাম্পেইন সচল রাখার সুযোগ করে দেবে। আন্তর্জাতিক ডলার কার্ড বলতে সাধারণত একটি প্রিপেইড ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড বোঝায়। যা ইউ এস ডলারের এবং ভিসা বা মাস্টার কার্ড নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অনলাইন লেনদেনের জন্য সক্ষম।
আরো পড়ুনঃ উইন্ডোজ ১১ এর নতুন ৮টি ফিচার সম্পর্কে জানুন
বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি ব্যাংক যেমন ব্রাক ব্যাংক, ডাচ বাংলা ব্যাংক, সিটি ব্যাংক ইত্যাদি থেকে এই ধরনের বিশেষ কার্ড সংগ্রহ করা যায়। আবার অনলাইন প্লাটফর্ম যেমন পেয়োনিয়ার থেকেও একটি ডলার মাস্টার কার্ড অর্জন করা সম্ভব। ফেসবুক অ্যাড এর জন্য এই কার্ড ব্যবহার করতে হলে আপনাকে প্রথমে নিশ্চিত করতে হবে যে কার্ডটি ইন্টারন্যাশনাল ই কমার্স লেনদেনের জন্য একটিভেটেড আছে।
আন্তর্জাতিক ডলার কার্ড কি এবং কেন ফেসবুক অ্যাড এর জন্য জরুরী
একটি আন্তর্জাতিক ডলার কার্ড মূলত একটি প্রিপেইড ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড। যা ইউএস ডলার বা অন্য কোন গ্লোবাল কারেন্সিতে ডিনমিনেটেড এবং আন্তর্জাতিক লেনদেনের জন্য সক্ষম। বাংলাদেশ ব্যাংক যেমন ব্রাক ব্যাংক ডাচ বাংলা ব্যাংক সিটি ব্যাংক বা অনলাইন প্লাটফর্ম। যেমন পেয়োনিয়ার, পেপাল থেকে এমন কার্ড সংগ্রহ করা যায়। ফেসবুক এড সিস্টেম টাকা জমা দেওয়া বা অর্থ পরিষদের ক্ষেত্রে আঞ্চলিক ডলার কার্ড দিয়ে ফেসবুক এড চালানোর জন্য এগুলো জানা অপরিহার্য। কারণ ফেসবুকের অ্যাড পেমেন্ট সিস্টেম আন্তর্জাতিক কারেন্সি মেনে ডিজাইন করা।
প্রাথমিক ভাবে ইউএস ডলার সমর্থন করে বাংলাদেশি টাকায় ডিনমিনেটেড স্থানীয় কার্ড সরাসরি হওয়ায় তাদের পেমেন্ট গেটওয়ে আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত। কার্ড নেটওয়ার্কের যেমন ভিসা, মাস্টার কার্ড বা আমেরিকান এক্সপ্রেস এর মাধ্যমে লেনদেন সম্পন্ন করে। একটি আন্তর্জাতিক ডলার কার্ডদের ফেসবুক চালানোর প্রক্রিয়া মেনে না চললে আপনি পেমেন্ট মেথড ডিক্লাইন বা কার্ড নট একসেপ্টেড এর মত ত্রুটির সম্মুখীন হবেন। যা আপনার পুরো বিপণন পরিকল্পনাকে ব্যাহত করতে পারে।
ফেসবুক অ্যাড এর জন্য উপযুক্ত ডলার কার্ড নির্বাচনের গাইডলাইন
সব আন্তর্জাতিক দলের কার্ড ফেসবুক অ্যাড এর জন্য সমান উপযুক্ত নয়। তাই সঠিক কার্ড নির্বাচন করে ফেসবুক এড চালানোর প্রক্রিয়ার প্রথম ও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ আপনার কার্ডের বৈশিষ্ট্য গুলোর মধ্যে। প্রথম হলো এটি যেন আন্তর্জাতিক লেনদেন সক্ষম বা ইন্টারন্যাশনাল ট্রানজেকশন অ্যাক্টিভেটেড থাকে। দ্বিতীয়তও কার্ড এ অবশ্যই ভিসা মাস্টার কার্ড বা আমেরিকান এক্সপ্রেস নেটওয়ার্কের হতে হবে। কারণ ফেসবুক সাধারণত এই নেটওয়ার্ক গুলোর সমর্থন করে থাকে। বাংলাদেশের অনেক ব্যাংকের ডেবিট কার্ডে এখন এই সেবা দিয়ে থাকে।
তবে বিশেষ ভাবে প্রিপেইড ডলার কার্ড পাওয়া যায় কার্ড নির্বাচনের সময়। আপনাকে লেনদেন ফি গুলোর দিকে সুক্ষ দৃষ্টি রাখতে হবে। সাধারণত তিন ধরনের ফি প্রযোজ্য হতে পারে এবং প্রতিটি আন্তর্জাতিক সার্ভিস কিন্তু ব্যাংক বা ফ্রেন্ডটেক প্রতিষ্ঠান। প্রতিযোগিতা মূলক রেট ও কম ফ্রি অফার করে যা দীর্ঘ মেয়াদে আপনার এড খরচ কমাতে সাহায্য করবে। তৃতীয় তো কার্ডের রিলোড বা টপ অফ করার সুবিধাটি খতিয়ে দেখুন। অনলাইন ব্যাংকিং থেকে সরাসরি ডলার লোড করা যায় কিনা। নাকি ব্যাংক শাখায় গিয়ে ক্যাশ জমা দিতে হয়। এটি আপনার নিয়মিত কার্যকারিতার উপর প্রভাব ফেলবে।
বাংলাদেশ থেকে ডলার কার্ড পাওয়ার সহজ উপায় ও প্রক্রিয়া
বাংলাদেশী নাগরিক হিসেবে একটি আন্তর্জাতিক ডলার কার্ড অর্জন করা আগের চেয়ে অনেক সহজ হয়েছে। প্রধানত দুটি পথে আপনি এই কার্ড পেতে পারেন স্থানীয় ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে। অথবা আন্তর্জাতিক প্রিনটেক বা ডিজিটাল ওয়ালেট প্ল্যাটফর্ম এর মাধ্যমে। ব্যাংকের মাধ্যমে কার্ড পেতে হলে আপনার প্রথমে একটি সঞ্চয়ী বা কারেন্ট একাউন্ট খোলা থাকতে হবে এবং সেই একাউন্টে বৈদেশিক মুদ্রার রেমিট করার সুযোগ থাকতে হবে। ডেবিট কার্ডের জন্য আবেদন করতে হবে।
এই আবেদন প্রক্রিয়ায় সাধারণত আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র টি আই এন সার্টিফিকেট পাসপোর্ট এর কপি এবং ব্যাংক একাউন্টের তথ্য জমা দিতে হবে। আবেদন পত্রে আপনাকে উল্লেখ করতে হবে যে আপনি অনলাইন লেনদেন ও আন্তর্জাতি ক্রয়ের জন্য কার্ডটি চান। অনুমোদন ও কার্ড ইস্যু হতে তিন থেকে সাত কার্যদিবস সময় লাগতে পারে এবং কার্ডটি সাধারণত কুরিয়ার মাধ্যমে আপনার ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে।
ফেসবুক বিজনেস ম্যানেজারের ডলার কার্ড যুক্ত করার ধাপে ধাপে পদ্ধতি
কার্ড হাতে পাওয়ার পরের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো সেটিকে আপনার ফেসবুক বিজনেস ম্যানেজার একাউন্টে একটি বৈধ পেমেন্ট মেথড হিসেবে যুক্ত করা। এই কাজটি সঠিকভাবে না করলে আন্তর্জাতিক ডলার কার্ড দিয়ে ফেসবুক এড চালানোর পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা যাবে না। প্রথমে ফেসবুক বিজনেস সুইট এ লগইন করুন এবং সেটিংসে যান। এরপর বিলিং বা পেমেন্ট সেটিংসে বিভাগে ক্লিক করুন। এখানে আপনি পেমেন্ট মেথড যোগ করুন।
এর একটু আরেকটি অপশন পাবেন। যেখানে আপনাকে ক্রেডিট কার্ড ডেবিট কার্ড নির্বাচন করতে হবে। এখন একটি ফর্ম আসবে, যাতে আপনার আন্তর্জাতিক ডলার কার্ডের সমস্ত তথ্য সঠিকভাবে প্রবেশ করাতে হবে। কার্ডে লেখা ১৬ ডিজিটের নম্বর কার্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার মাস ও বছর এবং কার্ডের পিছনে সিভিভি বা সিকিউরিটি কোড সাথে লিখুন। এই তথ্য কোন ভুল হলে যুক্ত হবে না বা পরবর্তী পেমেন্ট বাউন্ড্স হতে পারে।
ফেসবুক অ্যাড একাউন্টে কার্ড ভেরিফিকেশন ও সমস্যার সমাধান
আন্তর্জাতিক ডলার কার্ড দিয়ে ফেসবুক অ্যাড চালানোর নিয়ম এর সবচেয়ে সংবেদনশীল ধাপ হল কার্ডের ভেরিফিকেশন বা যাচাই করণ প্রক্রিয়া অনেক সময় কার্ড যুক্ত করলেও ফেসবুক সিস্টেম থেকে পেমেন্ট মেথড বা কার্ড ডিক্লাইন্ড এর মত ত্রুটি দেখা দিতে পারে। এর প্রধান কারণ হতে পারে ইন্টারন্যাশনাল ট্রানজেকশন এর জন্য অ্যাক্টিভেটেড না থাকা। আপনার ব্যাংকের মোবাইল অ্যাপ বা কল সেন্টারে ফোন করে নিশ্চিত হয়ে নিন। যে কার্ডটি অনলাইন নেই। দ্বিতীয় সাধারণ সমস্যা হল কার্ডে পর্যাপ্ত ব্যালেন্স না থাকা।
আরো পড়ুনঃ ক্যানভা প্রো ফ্রিতে এক্টিভ করার সহজ উপায়
ভেরিফিকেশন চার্জ এক ডলার এবং আপনার এক বাজেটের যোগফল যদি কার্ডের ব্যালেন্স এর চেয়ে বেশি হয়। তাহলে কার্ডটি রিজেক্ট হয়ে যাবে। তাই আন্তর্জাতিক ডলার কার্ড দিয়ে ফেসবুক এড চালানোর প্রক্রিয়া অনুযায়ী কার্ডে পর্যাপ্ত ডলার ব্যালেন্স নিশ্চিত করা আবশ্যক। তৃতীয় তো কার্ডের তথ্য ভুল ভাবে প্রবেশ করানো। যেমন সিভিভি কোড ভুল মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া। কিংবা নামের বানানের গড়মিল।
ফেসবুক অ্যাড ক্যাম্পেইনে ডলার কার্ড ব্যবহার করে বাজেট সেট আপ
পেমেন্ট মেথড সফল ভাবে যুক্ত হওয়ার পরেই আপনি আন্তর্জাতিক ডলার কার্ড দিয়ে ফেসবুক এড চালানোর প্রক্রিয়ার মূল কর্মপর্বে প্রবেশ করতে পারবেন। অর্থাৎ ক্যাম্পেইন তৈরি ও বাজেট নির্ধারণ। ফেসবুক অ্যাড ম্যানেজার এর নতুন ক্যাম্পেইন তৈরি করার সময় আপনি দুই ধরনের বাজেট অপশন পাবেন। দৈনিক বাজেট এবং সার্বিক বাজেট আপনার আন্তর্জাতিক ডলার কার্ডের ব্যালেন্স এবং বিপন্ন লক্ষ্য অনুযায়ী যে কোন একটি বেছে নিতে হবে। মনে রাখবেন এই বাজেট পরিমাণ ইউ এস ডলারের হবে এবং ফেসবুক এই বাজেটের সীমার মধ্যেই অ্যাড দেখানোর চেষ্টা করবে।
অ্যাড একাউন্টে পেমেন্ট সেটিংসে গিয়ে আপনি একটি অটোমেটিক পেমেন্ট মেথড বা ম্যানুয়াল পেমেন্ট মেথড নির্বাচন করতে পারবেন। ফেসবুক এড চালানোর নিয়মের ক্ষেত্রে অটোমেটিক পেমেন্টটি বেশি সুবিধা জনক। এই পদ্ধতিতে আপনি একটি ফ্রেশ হোল্ড বা সীমা নির্ধারণ করে দিতে পারবেন। যখন আপনার এড খরচ এই সীমায় পৌঁছাবে। ফেসবুক স্বয়ংক্রিয় ভাবে আপনার ডলার কার্ড থেকে সেই পরিমাণ টাকা চার্জ করবে এবং আপনার এড ব্যালেন্স রিচার্জ করবে।
ডলার কার্ড দিয়ে ফেসবুক এড চালানোর সময় নিরাপত্তা ও প্রতারণা থেকে সুরক্ষা
ফেসবুক এড চালানোর নিয়ম শেখার পাশাপাশি নিরাপত্তা দিক গুলো সম্পর্কে সচেতন থাকা অপরিহার্য। আপনার কার্ডের তথ্য যদি কম্প্রোমাইজ হয়। তাহলে শুধু অ্যাড একাউন্টে নয়, আপনার মূল অর্থও ঝুঁকিতে পড়তে পারে। প্রথম নিরাপত্তা নিয়ম হলো কখনোই আপনার কার্ডের নম্বর, মেয়াদ উত্তীর্ণ এবং ওটিপি কাউকে শেয়ার করবেন না। ফেসবুক কখনোই ফোন ইমেইল বা মেসেঞ্জারে আপনার পিন চাইবেনা।
দ্বিতীয় তো আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ফ্যাক্টর প্রমাণিকরণ চালু করুন। যাতে হ্যাকাররা সহজে প্রবেশ করতে না পারে। তৃতীয়ত ও আপনার ব্যাংক বা ফ্রেন্ড টেক অ্যাপ এ গিয়ে আন্তর্জাতিক ডলার কার্ড এর জন্য ট্রানজেকশন লিমিট সেট করে দিন। একটি দৈনিক নির্ধারণ করুন। এতে কার্ডের তথ্য চুরি গেলেও অতিরিক্ত টাকা উত্তোলন করা কঠিন হয়ে পড়বে। চতুর্থ ফেসবুক বিজনেস ম্যানেজারের পেমেন্ট সেটিংসে গিয়ে নিয়মিত আপনার লেনদেনের হিস্টরি পরীক্ষা করুন।
ফেসবুক অ্যাড এর জন্য ডলার কার্ডের ব্যালেন্স কিভাবে রিচার্জ করবেন
ফেসবুক এডনিরে বিচ্ছিন্ন ভাবে চালাতে হলে আপনার আন্তর্জাতিক ডলার কার্ড এর ব্যালেন্স পর্যাপ্ত রাখতে হবে। বাংলাদেশ থেকে এই ব্যালেন্স রিচার্জ বা টপ আপ করার বেশ কয়েকটি পদ্ধতি আছে। প্রথম এবং সবচেয়ে সরাসরি পদ্ধতি হলো আপনার স্থানীয় ব্যাংক একাউন্ট থেকে অনলাইন ব্যাংকিং বা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে কার্ডে ডলার ট্রান্সফার করা। যেসব ব্যাংক ডলার কার্ড ইস্যু করে, তাদের অ্যাপ এ সাধারণত প্রিপেইড কার্ড।
আরো পড়ুনঃ ফেসবুক আইডি হ্যাক হলে উদ্ধারের কয়েকটি উপায়
যেখানে আপনার কার্ড নম্বর সিলেক্ট করে বাংলাদেশি টাকা বা আপনার একাউন্টের বিদেশী মুদ্রা থেকে ডলারের কনভার্ট করে লোড করতে পারেন। দ্বিতীয় পদ্ধতি হলো সরাসরি ব্যাংক শাখায় গিয়ে নগদ টাকা বা চেক জমা দেওয়া। এই পদ্ধতি তুলনামূলক ধীরে তবে যাদের অনলাইন লেনদেনের অভ্যাস নেই তাদের জন্য সহজ। শাখায় গিয়ে আন্তর্জাতিক ডলার কার্ড দিয়ে ফেসবুক এড চালানোর প্রক্রিয়ার জন্য টাকা লোড করতে চাইলে, আপনাকে রিচার্জ ফরম পূরণ করতে হবে এবং টাকা জমা দিতে হবে।
শেষ কথাঃ আন্তর্জাতিক ডলার কার্ড দিয়ে ফেসবুক অ্যাড চালানোর নিয়ম
আন্তর্জাতিক ডলার কার্ড দিয়ে ফেসবুক অ্যাড চালানোর নিয়ম এর প্রতিটি ধাপ আমরা বিশদভাবে আলোচনা করেছি। কার্ড নির্বাচন থেকে শুরু করে পাওয়া, যুক্ত করা ভেরিফাই করা বাজেট সেট করা এবং সমস্যার সমাধান করা। আশা করি এই তথ্য গুলো আপনাকে আত্মবিশ্বাসের সাথে আপনার ফেসবুক বিপণন যাত্রা শুরু করতে বা আরো উন্নত করতে সাহায্য করতে পারবে। মনে রাখবেন সফলতা আসে ধৈর্য পরীক্ষা নিরীক্ষা এবং নিয়মিত শেখার মাধ্যমে। ছোট বাজেট দিয়ে প্রথমে শুরু করুন।
ডেটা বিশ্লেষণ করুন এবং ধীরে ধীরে আপনার ক্যামপেইন গুলো পরিমার্জন করুন। ফেসবুক অ্যাড শক্তিশালী কিন্তু এর পেমেন্ট গেটেও একটি বাস্তব চ্যালেঞ্জ। ডলার কার্ড সেই চ্যালেঞ্জের কার্যকর সমাধান। আপনার কার্ড এবং অ্যাড একাউন্টের যত্ন নিন। ফেসবুকের নীতিমালা সম্মান করুন এবং সৃজনশীল কন্টেন্ট তৈরি করুন। এই তিনটি নিয়ম মেনে আন্তর্জাতিক ডলার কার্ড দিয়ে ফেসবুক এড চালানোর নিয়ম আপনার জন্য একটি সহজ সুরক্ষিত ও প্রক্রিয়ায় পরিণত হবে। আপনার ডিজিটাল যাত্রা সফল ও লাভজনক হোক।



ST Bangla Hub নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url