অনলাইনে ইনকাম ট্যাক্স পেমেন্ট করার সরকারি প্রক্রিয়া
অনলাইনে ইনকাম ট্যাক্স পেমেন্ট করার সরকারি প্রক্রিয়া সম্পর্কে বাংলাদেশের প্রত্যেক নাগরিকের জানা প্রয়োজন। বাংলাদেশে দিন দিন অনলাইন এর পরিমাণ বেড়েই চলছে। আর তাই সরকারও এই খাত থেকে রাজস্ব সংগ্রহে মনোনিবেশ করছে।
আজকের এই আর্টিকেলে আমরা ধাপে ধাপে শিখব আপনি কিভাবে অনলাইনে ইনকাম ট্যাক্স পেমেন্ট করবেন। যা সম্পূর্ণ আইন সম্মত, সহজ এবং অনলাইনে সম্পন্ন করা যায়। আপনি আপনার ঘরে বসেই এখন ট্যাক্স রিটার্ন করতে পারবেন।
পেজ সূচিপত্রঃ অনলাইনে ইনকাম ট্যাক্স পেমেন্ট করার সরকারি প্রক্রিয়া
- অনলাইনে ইনকাম ট্যাক্স পেমেন্ট করার সরকারি প্রক্রিয়া
- অনলাইন আয় ও ট্যাক্স এর প্রাথমিক ধারণা
-
টিন সার্টিফিকেট নিবন্ধন এর মাধ্যমে পেমেন্ট
-
ট্যাক্সপেয়ার পোর্টালে অ্যাকাউন্ট তৈরি ও লগ ইন
-
আয়কর রিটার্ন ফর্ম বাছাই ও তথ্য প্রস্তুতকরণ
-
আইটি টেনজিএ ফরম পূরণের বিস্তারিত নির্দেশিকা
-
ট্যাক্স গণনা এবং রিবাট বুঝতে পারা
- চূড়ান্ত জমা এবং মূল্যায়ন কর প্রদান
- পেমেন্ট নিশ্চিতকরণ ও রিটার্ন রিসিভ সংগ্রহ
-
শেষ কথাঃ অনলাইনে ইনকাম ট্যাক্স পেমেন্ট করার সরকারি প্রক্রিয়া
অনলাইনে ইনকাম ট্যাক্স পেমেন্ট করার সরকারি প্রক্রিয়া
অনলাইনে ইনকাম ট্যাক্স পেমেন্ট করার সরকারি প্রক্রিয়া সম্পর্কে আপনাকে অবশ্যই জানতে হবে বাংলাদেশ এখন প্রতিটি অনলাইন আয় কার্ডের জন্য ট্যাক্স রিটার্ন জমা দেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক দায়িত্ব। ভাগ্যক্রমে এখন আর রাজস্ব কার্যালয় দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হয় না। আপনার স্মার্টফোন বা কম্পিউটার থেকেই সম্পূর্ণ অনলাইনে এই কাজটি করা যায়। এই আর্টিকেল আমরা শিখব কিভাবে আপনি ঘরে বসে আপনার আয়কর জমা দিতে পারবেন। প্রথমেই আপনি টিন সার্টিফিকেট নিবন্ধন করে আপনি ইনকাম ট্যাক্স পেমেন্ট করার জন্য একটি প্রক্রিয়া শুরু করতে পারেন।
এই প্রক্রিয়াটির শুরুই হয় টিম নিবন্ধন দিয়ে। এটি আপনার আয় করে জাতীয় পরিচয় পত্র টিন নিতে ভিজিট করুন ওয়েবসাইটে। নতুন ব্যবহারকারী অপশনে ক্লিক করে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য জাতীয় পরিচয় পত্র নম্বর এবং একটি ছবি আপলোড করুন। সাধারণত ৭ থেকে ১০ কর্ম দিবসের মধ্যে অনলাইনেই আপনার টিন সনদ পেয়ে যাবেন। এটি ইনকাম ট্যাক্স পেমেন্ট করার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
আরো পড়ুনঃ পুরনো অ্যান্ড্রয়েড ফোনে ল্যাগ কমানোর নিয়ম
আরেকটা ধাপ হল ট্যাক্সপিয়ার পোর্টালে অ্যাকাউন্ট তৈরির মাধ্যমে ট্যাক্স দেয়া।
টিন পাওয়ার পর যাবেন বাংলাদেশ রাজস্ব বোর্ডের ট্যাক্সপিয়ার পোর্টালে। এখানে
নতুন ব্যবহারকারী হিসেবে রেজিস্ট্রেশন করুন। আপনার টিন নম্বর অনলাইন জন্ম
তারিখ এবং ক্যাপচা কোড দিয়ে একটি ইউজার অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন। এই একাউন্টে
থেকেই আপনি সবকিছু পরিচালনা করবেন। ট্যাক্স দেয়া ব্যাপারে রিটার্ন ফাইল থেকে
শুরু করে পেমেন্ট পর্যন্ত।
অনলাইন আয় ও ট্যাক্স এর প্রাথমিক ধারণা
অনলাইনে ইনকাম ট্যাক্স কিভাবে পেমেন্ট করতে হয় এটি বোঝার আগে আমাদের জানতে হবে কোন আইটির উপর আসলে ট্যাক্স দিতে হবে। বাংলাদেশের আয়কর আই ইং ২০২৩ অনুযায়ী কোন ব্যক্তি বাংলাদেশে অবস্থানকালে বা বাংলাদেশ থেকে যে কোনো আয় করেন। তা বাংলাদেশি কল করব এর মধ্যে অনলাইন আয় করে। অনলাইনে আয়ের মধ্যে রয়েছে ফ্রিল্যান্সিং ডিজিটাল মার্কেটিং। মার্কেটিং, ই কমার্স, ইউটিউব থেকে আয়।
অনলাইন কোর্স বিক্রয় স্টক ফটোগ্রাফি বিক্রয় এবং যেকোনো ধরনের ডিজিটাল সেবা
বিক্রয় থেকে আয় ট্যাক্স দিতে হবে কিনা তা নির্ভর করে। আপনার মোট বার্ষিক আয়ের
উপরে ২০২৪ ২৫ অর্থবছরের জন্য একজন পুরুষ ব্যক্তির জন্য কর মুক্ত আয়ের সীমা ৩
লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। অর্থাৎ আপনার মোট আয় যদি বছরে তিন লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকার
বেশি হয় তাহলে আপনাকে অবশ্যই আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে এবং অতিরিক্ত আয়ের উপর
নির্ধারিত হারে ট্যাক্স দিতে হবে।
টিন সার্টিফিকেট নিবন্ধনের মাধ্যমে পেমেন্ট
অনলাইনে ইনকাম ট্যাক্স পেমেন্ট করার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রথম ধাপ হল ট্যাক্সপেয়ার বা টিন নিবন্ধন করা। টিন হল আপনার আয়কর পরিচয় পত্রের নম্বর। যা সরকার আপনাকে দেবে। এটি ছাড়া আপনি ট্যাক্স রিটার্ন ফাইল বা পেমেন্ট করতে পারবেন না। ভাগ্যক্রমে এখন সম্পূর্ণ অনলাইনে খুব সহজেই টিন নিবন্ধন করা যায়। আপনাকে এখন আর রাজস্ব কার্যালয় প্রত্যেকটি দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হবে না। টিন সার্টিফিকেট নিবন্ধনের জন্য আপনাকে যেতে হবে বাংলাদেশের রাজস্ব বোর্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে।
বাংলাদেশের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে নতুন ব্যবহারকারী বা টিন নিবন্ধন অপশনে ক্লিক করুন। আপনাকে একটি ফর্ম পূরণ করতে হবে। যেখানে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য ও যোগাযোগ তথ্য মোবাইল এবং পেশাগত তথ্য দিতে হবে। এই তথ্য গুলো সঠিকভাবে দিতে হবে। কারণ পরবর্তীতে সংশোধন করা কঠিন হতে পারে। আপনাকে কিছু দলিল আপলোড করতে হতে পারে। জাতীয় পরিচয় পত্র পাসপোর্ট এর স্ক্যান কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং ঠিকানার প্রমাণপত্র।
ট্যাক্স পেয়ার পোর্টালে একাউন্ড তৈরি ও লগ ইন
টিন সার্টিফিকেট পাওয়ার পর অনলাইনে ইনকাম ট্যাক্স পেমেন্ট করার পরবর্তী ধাপ হলো ট্যাক্সপেয়ার পোর্টালে। ট্যাক্সপেয়ার পোর্টাল একটি ফুল ফিচার একাউন্ট তৈরি করা। এই পোর্টালটি হল মূল প্ল্যাটফর্ম। যেখান থেকে আপনি রিটার্ন ফাইল করবেন, ট্যাক্স দিবেন, সার্টিফিকেট পাবেন এবং সব তথ্য দেখতে পাবেন। প্রথম বারের মতো লগইন করতে পোর্টালের হোমপেজে লগইন অপশনে ক্লিক করুন। লগইন পৃষ্ঠায় রেজিস্ট্রেশন বা নতুন ব্যবহারকারী বাটনে ক্লিক করুন।
আপনাকে আপনার বায়ো ডিজিটাল টিন নম্বর, আপনার জন্ম তারিখ এবং একটি ক্যাপচা কোড দিতে হবে। সঠিক তথ্য দেওয়ার পর পরবর্তী ধাপে আপনাকে আপনার মোবাইল নম্বর এবং ইমেইল ঠিকানা ভেরিফাই করতে হবে। সেখানে ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড যাবে। অনলাইনে ইনকাম ট্যাক্স পেমেন্ট করার নিরাপত্তার জন্য এই ভেরিফিকেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আয়কর রিটার্ন ফ্রম বাছাই ও তথ্য প্রস্তুতকরণ
অনলাইনে ইনকাম ট্যাক্স পেমেন্ট করার প্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপ হল সঠিক রিটার্ন ফর্ম নির্বাচন এবং তথ্য প্রস্তুত করা, ট্যাক্সপেয়ার পোর্টালে লগইন করার পর রিটার্ন ফাইলিং বা আইকর রিটার্ন জমাদান মেনুতে যান। সেখানে আপনাকে প্রথমে সংশ্লিষ্ট আর্থিক বছর নির্বাচন করতে হবে। ব্যক্তিগত আয়কর দাতাদের জন্য প্রধান ফরম গুলো হলো আইটি টেনজিএ, আই টি ১০ বি আই টি, টেনসি আই টি, টেনসিসি আই টি, ১০ ডি ইত্যাদি।
আপনি যদি একজন স্বতন্ত্র ফ্রিল্যান্সার বা অনলাইন পেশাজীবী হয়ে থাকেন, যার
ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান নেই। তাহলে সাধারণত আই টি টেন জি এ ফর্মটি আপনার জন্য
প্রযোজ্য। এই ফর্মটির সেই সব ব্যক্তির জন্য যাদের অন্যান্য উৎস থেকে আয়। তবে
আপনার বার্ষিক আয় যদি ৩০ লক্ষ টাকার বেশি হয় বা আপনি যদি নিবন্ধিত ফরমের অংশ
হন। তাহলে ভিন্ন ফর্ম প্রযোজ্য হতে পারে। এই প্রক্রিয়াতে ভুল ফরম নির্বাচন করলে
জটিলতা তৈরি হতে পারে। তাই সাবধান থাকা ভালো।
আইটি টেনজিএ ফরম পূরণের বিস্তারিত নির্দেশিকা
অনলাইনে ইনকাম ট্যাক্স পেমেন্ট করার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহারিক অংশ হল আইটি টেন জি এ ফর্মটি সঠিকভাবে পূরণ করা। ফরম নির্বাচন করার পর এটি একটি ধাপে ধাপে ইলেকট্রনিক ফ্রম হিসেবে আপনার সামনে খুলে যাবে। প্রথম অংশে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য আগে থেকেই থাকবে যাচাই করে নিন। এরপর আসবে আয়ের বিবরণীর অংশ। এখানে অন্যান্য উৎস থেকে আয় নামে একটি কলাম লাইন পাবেন। সেখানে আপনার মোট বার্ষিক অনলাইন আয় লিখুন তার নিচেই আছে বিয়োজনা অথবা বিয়োজিত অংশ।
আরো পড়ুনঃ ইউটিউব শর্টস থেকে ইনকাম না আসার ১০ টা আসল কারণ
এখানে আপনার যুক্তির সংগত ব্যবসায়িক খরচ লিখতে পারেন। উদাহরণ স্বরূপ আপনি যদি
বছরে পাঁচ লক্ষ টাকা আয় করেন এবং আপনার খরচ যদি হয় ৫০ হাজার টাকা। তাহলে মোট
আয় ৫ লক্ষ্য এবং ৫০ হাজার লিখলে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা অনলাইনে ইনকাম ট্যাক্স
পেমেন্ট করার প্রক্রিয়াতে এই নিয়োজিত খরচ প্রমাণ করা। জরুরী যদিও প্রথমবারের
মতো ছোট আয়ের ক্ষেত্রে বিস্তারিত তদারকি নাও হতে পারে।
ট্যাক্স গণনা এবং রিবেট বুঝতে পারা
অনলাইনে ইনকাম ট্যাক্স পেমেন্ট করার একটি কঠিন বিষয় হলো ট্যাক্স গণনা করা। বাংলাদেশে ব্যক্তির আয়করের জন্য একটি প্রগ্রেস চিপ ট্যাক্স স্লাব আছে ২০২৪ থেকে ২০২৫ অর্থবছরের জন্য। স্লাব রেটটি হলো প্রথম তিন লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। করমুক্ত জিরো পার্সেন্ট পরবর্তী ১ লক্ষ টাকা ৫%। পরবর্তী তিন লক্ষ টাকা ১০%। পরবর্তী চার লক্ষ টাকা ১৫%। পরবর্তী ৫ লক্ষ টাকা ২০% অবশিষ্ট ১৬ লাখ ৫০ হাজার টাকার বেশি ২৫ পার্সেন্ট ধরা যাক। আপনার কর যোগ্য আয় ৬ লাখ টাকা। তাহলে ট্যাক্স হবে প্রথম তিন লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকায় জিরো টাকা।
পরবর্তী এক লক্ষ টাকায় ৫০০০ টাকা। পরবর্তী ৫০ হাজার টাকায় ১৫০০০ টাকা। মোট ট্যাক্স বিশ হাজার টাকা। অনলাইনে ইনকাম ট্যাক্স পেমেন্ট করার সরকারি প্রক্রিয়া এর সময় পোর্টাল এই হিসাবটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে করে দেবে। আপনাকে শুধু নিট ট্যাক্সের পরিমাণ দেখতে হবে। এছাড়া ইনভেস্টমেন্ট ইত্যাদি সরিয়ে নিলে আপনার প্রাপ্ত ট্যাক্স আরো কমে যাবে। নারী প্রতিবন্ধী ও বয়োজ্যেষ্ঠ পর্দা তাদের জন্য আলাদা করমুক্ত সীমা আছে। যা আপনার ট্যাক্স আরো কমাতে পারে।
চূড়ান্ত জমা এবং মূল্যায়ন কর প্রদান
ফরম পূরণ এবং ট্যাক্স হিসাব যাচাই করার পর অনলাইনে ইনকাম ট্যাক্স পেমেন্ট করার প্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপ হলো চূড়ান্ত ভাবে রিটার্ন জমা দেওয়া এবং ট্যাক্স পেমেন্ট করা। ফর্মের শেষে গিয়ে যাচাই করুন বা ভেরিফাই বাটনে ক্লিক করুন। সিস্টেম একটি সামারি দেখাবে। সবকিছু ঠিক থাকলে জমা দিন বা সাবমিট বাটনে ক্লিক করুন। জমা দেওয়ার পর রিটার্ন আর এডিট করা যাবে না। তাই জমা দেওয়ার আগে সবকিছু ভালো করে চেক করে নিন। জমা দেওয়ার সাথে সাথে আপনি টেক্স প্রদানের চালান পেয়ে যাবেন। এই চালানেই আপনার নির্ধারিত করে পরিমাণ উল্লেখ থাকবে।
এখন আপনাকে এই টাকাটি অনলাইনে পেমেন্ট করতে হবে। ট্যাক্সপিয়ার পোর্টালে বিভিন্ন
অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে সরবরাহ করে। আপনি কর প্রদান বা ট্যাক্স পেমেন্ট মেনুতে
ক্লিক করে আপনার জমা দেওয়ার রিটার্নের জন্য প্রাপ্ত চালান টি নির্বাচন করবেন।
অনলাইনে ইনকাম ট্যাক্স পেমেন্ট করার প্রক্রিয়া এর জন্য পেমেন্ট অপশন হিসেবে
থাকবে ডেবিট অথবা ক্রেডিট কার্ড, বিকাশ, নগদ, রকেট, যেকোনো ব্যাংক আপনার
সুবিধামতো যে কোন পদ্ধতি বেছে নিবেন। মনে রাখবেন ট্যাক্স পেমেন্ট সম্পন্ন না হলে
আপনার রিটার্ন জমা হলেও তা সম্পূর্ণ হবে না।
পেমেন্ট নিশ্চিতকরণ ও রিটার্ন রিসিভ সংগ্রহ
টাকা পেমেন্ট করার পর অনলাইনে ইনকাম ট্যাক্স পেমেন্ট করার প্রক্রিয়া এর সবচেয়ে সন্তোষজনক ধাপটি আসে পেমেন্ট নিশ্চিতকরণ এবং রিটার্ন রিসিভ বা স্বীকৃত প্রাপ্তি পেমেন্ট করার পর টোটাল এ পেমেন্ট স্ট্যাটাস আপডেট হতে কিছু সময় লাগতে পারে। আপনি পেমেন্ট হিস্ট্রি বা চালানের অবস্থা দেখে চেক করতে পারেন। যেখানে সফলভাবে পেইড লেখা দেখা যাবে। পেমেন্ট কনফার্ম হওয়ার পর আপনি আপনার আয়কর রিটার্ন জমাদানের স্বীকৃতি ডাউনলোড করতে পারবেন। এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট।
আরো পড়ুনঃ উইন্ডোজ ১১ এর নতুন ৮টি ফিচার সম্পর্কে জানুন
যা প্রমাণ করে আপনি আইন মেনে রিটার্ন জমা দিয়েছেন এবং কর পরিষদ করেছেন। এই
স্বীকৃতি পত্রে আপনার নাম, টিন, আর্থিক বছ,র জমা দেওয়ার তারিখ এবং পরিশোধিত করের
উল্লেখ থাকবে। এই প্রকৃতি সম্পন্ন করার পর এই ডকুমেন্ট অবশ্যই সংরক্ষণ করে
রাখবেন। এছাড়াও আপনি আপনার আয়কর দাতার পত্র ডাউনলোড করতে পারেন। এটি একটি
সার্টিফিকেট যা প্রমাণ করে আপনি একজন নিবন্ধিত করদাতা।
শেষ কথাঃ অনলাইনে ইনকাম ট্যাক্স পেমেন্ট করার সরকারি প্রক্রিয়া
অনলাইনে ইনকাম ট্যাক্স পেমেন্ট করার সরকারি প্রক্রিয়া এই বিস্তারিত আর্টিকেলে
আমরা দেখলাম যে এটি একটি সম্পূর্ণ অনলাইন স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং ব্যবহারকারী বান্ধব
প্রক্রিয়া। আপনার একটি টিন ইন্টারনেট সংযোগ এবং কিছু প্রস্তুতির দরকার। এটি শুধু
একটি আইনি বাধ্যবাধকতা পূরণে নয়, এটি আপনার আয়ের বৈধতা প্রতিষ্ঠা করে। আপনার
ক্রেডিবিলিটি বাড়ায় এবং দেশের উন্নয়নে আপনার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে।
ফ্রিল্যান্সার, ইউটিউবার বা অনলাইন উদ্যোক্তা হিসেবে আপনার আয় যখন বাড়বে, তখন
ট্যাক্স দিতে পারাটা একটি গর্ভের বিষয়।
আজি একটি ছোট্ট পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। আজকের এই ছোট্ট পদক্ষেপটি আপনাকে একজন
দায়িত্বশীল সংগঠিত এবং আইন মেনে চলা পেশাজীবী হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করবে।
তাই আর দেরি করবেন না। আপনার টিন নেই আজই টিন সার্টিফিকেট ওয়েবসাইটে যান
এবং নিবন্ধন করুন। আপনার টিন সার্টিফিকেট আছে এবার আর্থিক বছরের জন্য
প্রস্তুত হন। আপনার আয়ের হিসাব রাখুন এবং সময়মতো টেক্স পেমেন্ট প্রক্রিয়া
অনুসরণ করে রিটার্ন জমা দিন ও কর পরিষদ করুন। দেশ গড়ার এই মহৎ কাজে আপনার অংশ
নিশ্চিত করুন। শুরু করুন আজই।



ST Bangla Hub নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url