গুগল কীবোর্ডে ভয়েস টাইপিং চালু করার স্ক্রিনশট টিউটোরিয়াল

গুগল কীবোর্ডে ভয়েস টাইপিং চালু করার স্ক্রিনশট টিউটোরিয়াল সম্পর্কে প্রত্যেকেরই জানা উচিত। আপনার কি কখনো মনে হয়েছে আঙ্গুল দিয়ে টাইপ করার চেয়ে কথা বলে যদি সব দেখে দেখে লেখা শেষ করা যেত। তাহলে কাজটি অনেক দ্রুত হতো।

গুগল-কীবোর্ডে-ভয়েস-টাইপিং-চালু-করার-স্ক্রিনশট-টিউটোরিয়াল

আজকের এই আর্টিকেলে আমরা এই কৌশলটি ধাপে ধাপে করব। যে কিভাবে আপনি এই অসাধারণ সুবিধাটি সক্রিয় করবেন এবং এর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করবেন। চিন্তা করেই দেখুন এটি আপনার উৎপাদনশীলতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে।

পেজ সূচিপত্রঃ গুগল কীবোর্ডে ভয়েস টাইপিং চালু করার স্ক্রিনশট টিউটোরিয়াল

গুগল কীবোর্ডে ভয়েস টাইপিং চালু করার স্ক্রিনশট টিউটোরিয়াল

গুগল কীবোর্ডে ভয়েস টাইপিং চালু করার স্ক্রিনশট টিউটোরিয়াল লিখে এখনো অনেকেই গুগলে সার্চ করেন। আপনি কি কখনো ভেবে দেখেছেন, আপনার আঙ্গুল দিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা টাইপ করার পরিবর্তে শুধু কথা বলে যদি সব লেখা হয়ে যেত গুগল কিবোর্ড এর ভয়েস টাইপিং ফিচারটি ঠিক সেই জাদুই করতে পারে। এটি আপনার কথাকে মুহূর্তের মধ্যে লিখিত রূপ দেয়। যা আপনার এই আস্থা অর্জন করতে সাহায্য করে যে  দীর্ঘ মেসেজ ইমেইল বা নোট তৈরির সময় আপনার সময় ও শক্তি দুটোই বাঁচায়। 

এই গুগল কীবোর্ড এ ভয়েস টাইপিং চালু করার জন্য আপনাকে ধাপে ধাপে একটি গাইড লাইন অনুসরণ করতে হবে। তাহলে আপনি এই অসাধারণ সুবিধাটি সক্রিয় করতে পারবেন এবং এর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবেন। প্রথমেই নিশ্চিত হন আপনার ফোনে গুগল কীবোর্ড ইনস্টল আছে কিনা। আপনার ফোনে আপনি অভ্র কিবোর্ড আগে ইন্সটল করে নিবেন। এর জন্য প্রথমে আপনি প্লে স্টোরে গিয়ে অভ্র কিবোর্ড লিখে সার্চ দিবেন।

কিবোর্ডটি আপনার সক্রিয় থাকলে আপনি গুগলে গিয়ে ভয়েস টাইপিং এক্সটেনশন লিখে সার্চ দিবেন।

এরপর আপনি একটি লিস্ট আকারে অনেক গুলো ওয়েবসাইটে বিভিন্ন লিংক দেখতে পারবেন। এর মধ্যে আপনি ভয়েস ইন স্পিচ টু টেক্সট ডিক্টেশন এক্সটেনশন টি এই লিংকে ক্লিক করবেন।

লিংকে ক্লিক করার পর আপনি ভয়েস ইন এক্সটেনশন এর এক্সটেনশন টি আপনার গুগল ক্রোম ব্রাউজারে ইন্সটল করে নিবেন। 

এরপর আপনি এর ভাষা ঠিক করবেন। আপনি আসলে কি ভাষায় টাইপিং করবেন। সেই ভাষাকে এখানে উল্লেখ করবেন। তারপর আপনি মাইক্রোফোন এলাও দিয়ে দিবেন। তারপর এক্সটেনশন টি আপনি পিন করে নেবেন। এরপর আপনি নেক্সটে ক্লিক করবেন। তাহলে আপনার ভয়েস এক্সটেনশন টি সক্রিয় হয়ে যাবে।

আরো পড়ুনঃ উইন্ডোজ ১১ এর নতুন ৮টি ফিচার সম্পর্কে জানুন 

এখানে ভয়েস টাইপিং একটি বিভাগ খুঁজতে হবে। এটি সাধারণত টাইপিং ভাষা বা প্রবন্ধ এর অধীনে থাকে। স্ক্রিনশটে আপনি দেখতে পাবেন একটি স্পষ্ট ভয়েস টাইপিং লেভেল যুক্ত অপশন করলে আপনি একটি সুইচ পাবেন। যার পাশে দেখা যাবে ভয়েস টাইপিং চালু করুন। ডিফল্টভাবে এটি বন্ধ অবস্থায় থাকে। এই সেট আপ করে এটিকে চালু করুন।

গুগল কীবোর্ড ইনস্টল ও সক্রিয়করণ 

গুগল কিবোর্ড এ ভয়েস টাইপিং চালু করার জন্য প্রথম এবং প্রধান শর্ত হলো আপনার ফোনে গুগল কিবোর্ড ইন্সটল এবং সক্রিয় করা। যদি আপনার ফোনে এটি আগে থেকে না থাকে তাহলে গুগল প্লে স্টোরে গিয়ে জিবোর্ড লিখে সার্চ করুন। এটি গুগল এলএলসি দ্বারা তৈরি সঠিক অ্যাপটি নির্বাচন করে ইনস্টল বাটনে ক্লিক করুন। ইন্সটলেশন সম্পন্ন হওয়ার পর আপনাকে এটি আপনার ডিফল্ট কিবোর্ড হিসেবে সেটআপ করতে হবে। সেটিংস অ্যাপে যান। সিস্টেম বা সাধারণ ব্যবস্থাপনা এর অধীনে ভাষা ও ইনপুট বা কিবোর্ড অপশনটি খুজুন। 

অন স্ক্রিন কিবোর্ড বা ভার্চুয়াল কিবোর্ড মেনুতে ক্লিক করুন। এখানে আপনি জিবোর্ডকে নির্বাচন করুন বা কিবোর্ড ব্যবস্থাপনাতে গিয়ে জিবোর্ডকে সক্রিয় করুন। আপনাকে একটি অনুমতি অনুরোধের সম্মুখীন হতে পারে। অনুমতি দেন এ ক্লিক করুন। কিছু ফোনে ডিফল্ট কিবোর্ড সেট করুন অপশন থাকে যেখানে ক্লিক করলে জিবোর্ড নির্বাচন করুন। এটি নিশ্চিত করবে যে আপনি যখনই টাইপ করবেন। তখনই গুগল কিবোর্ড এ ভয়েস টাইপিং এর সুবিধা পেতে প্রস্তুত হবেন।

ভয়েস টাইপিং ফিচারটি সরাসরি খোঁজা ও সক্ষম করা

গুগল কীবোর্ড এ ভয়েস টাইপিং চালু করার সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি হলো কিবোর্ড এর সেটিংস মেনু থেকে এটি খুজে বের করা। প্রথমে যেকোনো অ্যাপে গিয়ে একটি টেক্সট ফিল্ডে টাইপ করুন। যাতে গুগল কিবোর্ড প্রদর্শিত হ।য় কিবোর্ডের শীর্ষে থাকার টুলবারে সবচেয়ে বাম দিকে দেখুন। সেখানে একটি চারটি বিন্দুর আইকন থাকতে পারে। এটি হলো সেটিংস মেনু। এই মেনু আইকনের ক্লিক করুন। বিকল্প হবে কীবোর্ডের ডান দিকে থাকা গিয়ার আইকনে ট্যাপ করতে পারেন। 

এই মেনু থেকে সেটিংস বা জিবোর্ড সেটিংস অপশনটি নির্বাচন করুন। এটি সরাসরি জিবোর্ড অ্যাপ এর সেটিংস পেজে নিয়ে যাবে। এবার ভয়েস টাইপিং নামক একটি বিভাগ বা অপশন খুঁজুন। এটি সাধারণত প্রবন্ধ বা টাইপিং ক্যাটাগরির নিচে থাকে। আপনি যদি সরাসরি এটি না পান। তাহলে ভাষা অপশনে যান। কারণ ভয়েস ইনপুট প্রায়ই ভাষা সেটিংস এর সাথে জড়িত।

মাইক্রোফোন আইকন সন্ধান ও সরাসরি ব্যবহার পদ্ধতি

গুগল কীবোর্ডে ভয়েস টাইপিং চালু করার স্ক্রিনশট টিউটোরিয়াল পরবর্তী ধাপ হলো ব্যবহারিক প্রয়োগ। অর্থাৎ কিভাবে আপনি এটি দ্রুত একসেপ্ট করবেন এবং ব্যবহার শুরু করবেন। ভয়েস টাইপিং সক্রিয় থাকা অবস্থায় যখন আপনি গুগল কিবোর্ড ব্যবহার করবেন। তখন কিবোর্ডের শীর্ষে টুলবারের ডান দিকে স্পেসবারের ওপরে একটি ছোট মাইক্রোফোন আইকন দেখা যাবে। এটি হলো আপনার ভয়েস টাইপিং শুরু করার গেট ওয়ে অবস্থান। কিবোর্ড থিম বা লেআউট অনুযায়ী সামান্য পরিবর্তিত হতে পারে। তবে এটি সাধারণত কিবোর্ডের শীর্ষ বারেই থাকে। 

গুগল-কীবোর্ডে-ভয়েস-টাইপিং-চালু-করার-স্ক্রিনশট-টিউটোরিয়াল

এই মাইক্রোফোন আইকনের ট্যাপ করলেই ভয়েস টাইপিং মোড সক্রিয় হবে। স্ক্রিনে একটি রঙ্গিন মাইক্রোফোন একটি বাক্য কথা বলুন। প্রদর্শিত হবে সাথে একটি স্পন্দনশীল তরঙ্গ দেখা যাবে। যা ইঙ্গিত দেয় যে সিস্টেম আপনার কথা শুনতে প্রস্তুত। এবার আপনি স্বাভাবিক গতিতে পরিষ্কার ভাবে কথা বলতে শুরু করুন। আপনি যা বলবেন তা প্রায় তাৎক্ষণিক ভাবে আপনার টেক্সটবক্সে লেখা হিসেবে দেখা যাবে। এটি গুগল কীবোর্ড এ ভয়েস টাইপিং চালু করার পরের সবচেয়ে সন্তোষজনক মুহূর্ত। ভয়েস টাইপিং করার সময় পূর্ণ খাবার জন্য যাকে দাড়ি বলে। 

ভাষা নির্বাচন ও অফলাইন ভয়েস টাইপিং সক্ষম করা 

গুগল কিবোর্ড এ ভয়েস টাইপিং চালু করার সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সেটিংস গুলোর মধ্যে একটি হলো সঠিক ভাষা নির্বাচন করা। গুগল কিবোর্ড ডজন ডজন ভাষার ভয়েস টাইপিং সাপোর্ট করে এবং বাংলা এর মধ্যে ভাষা নির্বাচন না করলে সিস্টেম ভুল ভাষা সনাক্ত করতে পারা। ভাষা সেট করতে জিবোর্ড সেটিংসে যান। কিবোর্ডের শীর্ষে ত্রিকণ বা আইকন থাকে। এখানে ভাষা অপশনে ট্যাপ করুন। কিবোর্ডের ভাষা যোগ করুন বা ভাষাতে ক্লিক করুন। বাংলা ভাষা খুজে পেতে সার্চ বক্সে বাংলা লিখুন।

যখন বাংলা ভাষা পাবেন সেটিতে টাইপ করুন এবং আপনার পছন্দের লেআউট নির্বাচন করুন। এটি আপনার কিবোর্ডে বাঙালি আউট যোগ করবে। কিন্তু গুগল কিবোর্ড এ ভয়েস টাইপিং চালু করার জন্য আপনাকে ভয়েস ইনপুট এর ভাষা আলাদাভাবে সেট করতে হতে পারে। কিবোর্ডের মাইক্রোফোন আইকন চেপে ধরে রাখলে বা সেটিংস এর ভয়েস টাইপিং মেনুতে ভাষা অপশন থাকতে পারে, সেখানে গিয়ে আপনার মূল ভাষা নির্বাচন করুন।

ভয়েস টাইপিং এর নির্ভুলতা উন্নত করার টিপস ও কৌশল 

গুগল কীবোর্ড ভয়েস টাইপিং চালু করার পর অনেকের অভিযোগ থাকে। যে এটি সব কথাই সঠিকভাবে টাইপ করতে পারে না। তবে কিছু কৌশল এবং পরিবেশগত নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে আপনি এর নির্ভুলতা আকাশচুম্বী করে তুলতে পারেন। প্রথম এবং সর্বাগ্রে একটি শান্ত পরিবেশ নির্বাচন করুন। অতিরিক্ত পটভূমি শব্দ ভয়েস রেকোগ্নিশনে বাধা সৃষ্টি করে। সম্ভব হলে শান্ত একটি কক্ষে কাজ করুন। বা হেডফোন মাইক্রোফোন ব্যবহার করুন। 

আরো পড়ুনঃ ক্যানভা প্রো ফ্রিতে এক্টিভ করার সহজ উপায়

দ্বিতীয়ত স্বাভাবিক গতিতে স্পষ্ট উচ্চারণে কথা বলুন। অতিরিক্ত দ্রুত বা আটসাট করে কথা বললে শব্দ সঠিকভাবে সনাক্ত নাও হতে পারে। প্রতিটি শব্দের মধ্যে সামান্য বিরতি দিন। বিশেষ করে বড় বাক্যের ক্ষেত্রে। তৃতীয়তঃ আপনি যদি বিশেষ ট্রাম নাম বা ইংরেজি শব্দ ব্যবহার করেন। তবে সেগুলো ধীরে ধীরে এবং পরিষ্কারভাবে উচ্চারণ করুন। গুগল কিবোর্ডে ভয়েস টাইপিং চালু করার পর এর কার্যকারিতা অবেকটা নির্ভর করে কথা বলার দক্ষতার উপর ও।

বিরাম চিহ্ন ও ফরমেটিং কমান্ড ব্যবহার 

গুগল কীবোর্ডে ভয়েস টাইপিং চালু করার একটি দুর্দান্ত সুবিধা হল আপনি শুধু শব্দই নয় বিরাম চিহ্ন এবং বেসিক ফরমেটিং কমান্ডো দিতে পারেন। আপনার কথার মাধ্যমে এটি লেখাকে আরো পঠনযোগ্য এবং পেশাদার করে তোলে। যখন আপনি কথা বলছেন তখন শুধু বাক্যটির শেষ করে থেমে যাবেন না। বরং প্রয়োজনীয় কমান্ডগুলো বলুন। উদাহরণস্বরূপ একটি বাক্য শেষ হলে বলুন দাড়ি বা পিরিয়ড। এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি পূর্ণচ্ছেদ যোগ করবে। কমা যোগ করতে বলুন কমা। 

গুগল-কীবোর্ডে-ভয়েস-টাইপিং-চালু-করার-স্ক্রিনশট-টিউটোরিয়াল

প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করলে শেষে বলুন প্রশ্নচিহ্ন। বিস্ময় সূচক বাক্যের জন্য বলুন বিস্ময় বাদক চিহ্ন। নতুন প্যারাগ্রাফ বা লাইন শুরু করতে চাইলে বলুন নতুন লাইন বা পরবর্তী লাইন। আপনি চাইলে সরাসরি বন্ধনীয় যোগ করতে পারেন। যেমন খোলা বন্ধনে এবং বন্ধ বন্ধনী বলে গুগল কীবোর্ড এ ভয়েস টাইপিং চালু করার স্ক্রিনশট টিউটোরিয়াল এর পর এই নির্দেশনা গুলো ব্যবহার করে, আপনি প্রায় সম্পূর্ণভাবে হাত ছাড়াই একটি সুষম দলিল তৈরি করতে পারবেন। 

ভয়েস টাইপিং এর সমস্যার সমাধান 

গুগল কিবোর্ড এ ভয়েস টাইপিং চালু করার পরও যদি এটি কাজ না করে তাহলে হতাশ হবেন না। বেশ কিছু সাধারন সমস্যা এবং তার সহজ সমাধান রয়েছে। প্রথমেই চেক করুন মাইক্রোফোন আইকনটি কিবোর্ডের দৃশ্যমান কিনা। যদি না থেকে থাকে তাহলে সম্ভবত ভয়েস টাইপিং সেটিংস টি সক্রিয় জিবোর্ড সেটিংসে গিয়ে ভয়েস টাইপিং অপশনটি চেক করুন এবং টগল সুইচ নির্বাচন করুন। সবুজ রঙের আছে কিনা দেখুন। দ্বিতীয়ত মাইক্রোফোনের অনুমতি চেক করুন। জি বোর্ড অনুমতিতে যান।

এখানে মাইক্রোফোন অনুমতি অনুমতি দেয়া আছে কিনা নিশ্চিত করুন। যদি অশিক্ষিত থাকে তাহলে সেটিংস পরিবর্তন করে অনুমতি দিন। এটি চালু করে দিন। তৃতীয় তো আপনার ইন্টারনেট সংযোগ চেক করুন। আপনি অফলাইন মডেল ডাউনলোড না করে থাকেন, অফলাইন ভয়েস টাইপিং ডাউনলোড না করে থাকলে। প্রথম ব্যবহারের জন্য ইন্টারনেট সংযোগ প্রয়োজন হতে পারে। গুগল কীবোর্ডে ভয়েস টাইপিং চালু করার সময় অফলাইন প্যাক ডাউনলোড করলে এই সমস্যা দূর হবে। 

গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিবেচনা 

গুগল কীবোর্ডে ভয়েস টাইপিং চালু করার সময় এবং ব্যবহারের সময় গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যখন আপনি ভয়েস টাইপিং ব্যবহার করেন। তখন আপনার কথাগুলো গুগলের সার্ভারে প্রক্রিয়াকরণের জন্য পাঠানো হতে পারে। এই ডেটা আপনার ভয়েস রেকরগ্নিশন মডেলকে উন্নত করতে এবং পরিষেবা সরবরাহ করতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। গুগল দাবি করে যে এই ডেটা তাদের গোপনীয়তা নীতির অধীন এবং ব্যক্তিগতভাবে শনাক্ত করতে ব্যবহার করা হয় না। আপনি যদি গোপনীয়তার প্রতি বেশি সচেতন হয়ে থাকেন। 

আরো পড়ুনঃ পুরনো অ্যান্ড্রয়েড ফোনে ল্যাগ কমানোর নিয়ম

তাহলে আপনি সেটিংসে গিয়ে ব্যবহার পরিসংখ্যান এবং ভাষা মডেল আপডেট এর মত অপশন গুলি বন্ধ করে দিতে পারেন। এটি আপনার ডেটা শেয়ারিং সীমিত করবে। আরো ভালো উপায় হল অফলাইন ভয়েস টাইপিং ব্যবহার করা। যখন আপনি অফলাইন মডেল ব্যবহার করেন। তখন আপনার অডিও ডাটা গুগলে সার্ভারে না গিয়ে সরাসরি আপনার ফোনে প্রক্রিয়াজাত হয়। যা গোপনীয়তা রক্ষায় বেশি সহায়ক। গুগল কিবোর্ড এ ভয়েস টাইপিং চালু করার সময় এই অপশনটি নিঃসন্দেহে বিবেচনা করুন।

শেষ কথাঃ গুগল কীবোর্ডে ভয়েস টাইপিং চালু করার স্ক্রিনশট টিউটোরিয়াল 

গুগল কীবোর্ডে ভয়েস টাইপিং চালু করার স্ক্রিনশট টিউটোরিয়াল এর মাধ্যমে আমরা দেখলাম যে এই শক্তিশালী ফিচারটি ব্যবহার করা কতটা সহজ। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত গুগল কিবোর্ডে ভয়েস টাইপিং চালু করার প্রক্রিয়াটি মাত্র কয়েক মিনিটের বিষয়। আমরা আলোচনা করেছি কিভাবে কন্ট্রোল সেন্টারে এটি যোগ করতে হয়। মাইক্রোফোন অনুমতি দিতে হয়। ভাষা নির্বাচন করতে হয় এবং অফলাইন মডেল ডাউনলোড করতে হয়। প্রতিটি ধাপে স্ক্রিনশট এর মাধ্যমে নির্দেশনা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। যাতে বাংলাভাষী যে কোন ব্যবহারকারী সহজেই এটি অনুসরণ করতে পারেন। 

 এটি আপনার যোগাযোগের ধরন বদলে দেওয়ার একটি সুযোগ। এটি আপনার দ্রুত আরও স্বাভাবিক এবং আরো কার্যকর ভাবে প্রকাশ করতে সাহায্য করে। বিশেষ করে বাংলার মতো ভাষায় যেখানে অনেকের জন্য টাইপিং কিছুটা ধীর প্রক্রিয়া। সেখানে ভয়েস টাইপিং একটি মুক্তির মাধ্যম। আপনি এটিকে আপনার দৈনন্দিন ডিজিটাল জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত করবেন।  আপনার সময় শক্তিশালী করুন এবং আরও বেশি কথা বলুন। আরো বেশি লিখুন। আপনার কণ্ঠস্বরের মাধ্যমে আপনি আপনার মোবাইল ব্যবহারের অভিজ্ঞতা কে নতুন এক উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ST Bangla Hub নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url