বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট লিমিট বাড়ানোর আবেদন পদ্ধতি
পেজ সূচিপত্রঃ বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট লিমিট বাড়ানোর আবেদন পদ্ধতি
-
বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট লিমিট বাড়ানোর আবেদন পদ্ধতি
-
বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট লিমিট কি
-
বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট এর প্রকারভেদ ও সংশ্লিষ্ট লিমিট
-
বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট লিমিট বাড়ানোর যোগ্যতা ও শর্তাবলী
-
লিমিট বাড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও তথ্য
-
বিকাশ মার্জেন্ট একাউন্ট লিমিট বাড়ানোর সরাসরি আবেদন পদ্ধতি
-
অনলাইনে বিকাশ মার্জেন্ট একাউন্ট লিমিট বাড়ানোর আবেদন পদ্ধতি
-
বিকাশ মার্জেন্ট একাউন্ট লিমিট বাড়ানোর আবেদন লেখার নমুনা ও টিপস
-
আবেদন জমা দেওয়ার পর করণীয় ও ফলোআপ
-
শেষ কথাঃ বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট লিমিট বাড়ানোর আবেদন পদ্ধতি
বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট লিমিট বাড়ানোর আবেদন পদ্ধতি
বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট লিমিট বাড়ানোর আবেদন পদ্ধতির সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা থাকা সবারই প্রয়োজন। বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট বাংলাদেশের ক্ষুদ্র মাঝারি ও বৃহৎ সকল স্তরের ব্যবসায়ীদের জন্য আজ অনিবার্য এক ডিজিটাল সঙ্গী। কিন্তু যখন আপনার ব্যবসা দ্রুত গতিতে বাড়তে থাকে, তখন দৈনিক লেনদেনের পরিমাণ বর্তমান সীমা ছাড়িয়া যাওয়ার উপক্রম হয়। ঠিক তখনই প্রয়োজন হয় বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্টের বিকাশ মার্চেন্ড একাউন্ট হলো লিমিট বাড়ানোর একটি প্রক্রিয়া। যা আপনার ব্যবসাকে নতুন গতিশীলতা দান করবে।
বিশাল অংকের লেনদেন পরিচালনাকে করবে। নিমেষের কাজ আর গ্রাহক সেবা কে করবে আরো সহজ লিমিট বাড়ানোর আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করার আগে আপনার যা জানা জরুরি তা হলো এই সুবিধাটি আপনার জন্য প্রযোজ্য কিনা। সাধারণত যে সব মার্চেন্ট একাউন্টে নিয়মিত সবচেয়ে ভালোভাবে লেনদেন করে। যাদের একাউন্ট তিন থেকে ছয় মাসের পূর্ণ এবং যাদের লেনদেনের ইতিহাস পরিস্কার।
আরো পড়ুনঃ ২০টি জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং শেখার প্রতিষ্ঠান
তারাই এই আবেদনের জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হন। বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট লিমিট
বাড়ানোর পদ্ধতির প্রথম সূচনা হয় আপনার নিজস্ব প্রস্তুতির মধ্য দিয়ে। আপনার
জাতীয় পরিচয় পত্র ট্রেড লাইসেন্সটি আইন সার্টিফিকেট এবং ব্যবসার ঠিকানা
প্রমাণের কাগজপত্র গুলো হাতের কাছে গোছানো করে রাখুন। এগুলি আবেদনের সময় আপনার
বৈধতা প্রতিষ্ঠার মূল ভিত্তি হয়ে দাঁড়াবে।
বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট লিমিট কি
বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট লিমিট বলতে বুঝায় আপনার মার্জিন একাউন্ট এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট সময়ে আপনি সর্বোচ্চ কত টাকা লেনদেন করতে পারবেন। তার সীমাবদ্ধতাকে প্রতিটি নতুন মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট শুরুতে একটি প্রাথমিক লিমিট নিয়ে চালু হয়। যা ছোটখাটো লেনদেনের জন্য উপযোগী। কিন্তু ব্যবসার প্রসার গ্রাহক সংখ্যা বৃদ্ধি ও মৌসুমীর চাহিদা অনুযায়ী বড় অংকের লেনদেন পরিচালনা করা প্রয়োজন হয়ে পড়ে।
লিমিট বাড়ানোর ফলে আপনার একাউন্টের গ্রহণযোগ্যতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধি পেয়ে যা ডিজিটাল লেনদেনের যুগে ব্যবসার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি পর্যাপ্ত লেনদেন সীমানা থাকলে বড় অর্ডার হারানোর ঝুঁকি থাকে। যা মোটেও কাঙ্খিত নয়। তাছাড়া দৈনিক বা মাসিক লেনদেনের সীমা বৃদ্ধি পেলে আপনার নগদ প্রবাহ ব্যবস্থাপনা অনেক বেশি নমনীয় ও কার্যকর হয়।
বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট এর প্রকারভেদ ও সংশ্লিষ্ট লিমিট
বিকাশ মূলত দুই ধরনের মার্চেন্ট একাউন্ট সেবা প্রদান করে থাকে। মাইক্রো মার্চেন্ট একাউন্ট এবং স্ট্যান্ডার্ড একাউন্ট প্রতিটি অ্যাকাউন্টেরই আলাদা লেন দেনের সীমা নির্ধারণ করা আছে। যা বিকাশ মোর্চ অ্যাকাউন্ট আবেদন পদ্ধতিকে প্রভাবিত করে। মাইক্রো মার্চেন্ট একাউন্ট সাধারণত ফ্রিল্যান্সার ক্ষুদ্র দোকান নতুন ব্যবসার জন্য উপযোগী। যার প্রাথমিক লেনদেন সীমা তুলনামূলক ভাবে কম থাকে।
অন্যদিকে স্ট্যান্ডার্ড মার্চেন্ট একাউন্টের প্রাথমিক সীমা বেশি এবং এটি এস এম ই বা মাঝারি ব্যবসার জন্য উপযুক্ত। প্রতিটি ধরনের অ্যাকাউন্টের জন্য দৈনিক সাপ্তাহিক ও মাসিক লেনদেন সীমা আলাদা হয়ে থাকে। যা বিকাশ কর্তৃক সময়ে সময়ে হালনাগাদ করা হয়। আপনার একাউন্টের ধরন শনাক্তকরণকে এর প্রথম ধাপ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। কারণ লিমিট বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ওর শর্তাবলী একাউন্টের ধরন অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে।
বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট লিমিট বাড়ানোর যোগ্যতা ও শর্তাবলী
লিমিট বাড়ানোর আবেদন করার আগে আপনাকে কিছু পূর্ব শর্ত বা যোগ্যতার শর্ত পূরণ করতে হবে। প্রথমত আপনার মার্চেন্ট একাউন্টটি নূন্যতম তিন থেকে ছয় মাস সক্রিয় থাকতে হবে এবং এই সময়ে নিয়মিত লেনদেন চলতে হবে। বিকাশ মার্সেন্ট অ্যাকাউন্ট লিমিট বাড়ানোর পদ্ধতি শুরুর করার আগে আপনার একাউন্টের লেনদেনের ইতিহাস পর্যালোচনা করে নিন। দ্বিতীয়তঃ আপনার পূর্বের লেনদেন গুলোর পরিমাণ বর্তমান লিমিট এর কাছাকাছি বা প্রায় পুরোটা ব্যবহার করে থাকে।
আবেদন সুবিধাজনক হয়। তৃতীয়ত একাউন্টের সম্পূর্ণভাবে ভেরিফাইড এবং সকল প্রকার তথ্য হালনাগাদ ও সঠিক থাকতে হবে। এটি বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট লিমিট বাড়ানোর আবেদন করার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ ব্যবসার আইনগত কাগজপত্র। যেমন ট্রেড লাইসেন্স টিআইএন সার্টিফিকেট ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বিবরণী প্রস্তুত রাখুন।
লিমিট বাড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও তথ্য
আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করার আগে সকল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও তথ্য প্রস্তুত রাখলে প্রক্রিয়া দ্রুত ও নির্বিঘ্নের সম্পন্ন হয়। প্রথমত আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র এর কপি প্রয়োজন হবে। দ্বিতীয়ত ব্যবসার আইনগত দলিল যেমন ট্রেড লাইসেন্স চেম্বার সার্টিফিকেট বা গঠন দলিল আবশ্যক। বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট লিমিট বাড়ানোর আবেদন সফল করতে এই কাগজপত্র যথার্থতা গুরুত্বপূর্ণ।
তৃতীয় তো টিআইএন সার্টিফিকেট এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংক একাউন্ট এর বিবরণী প্রস্তুত
রাখুন। ব্যবসা ঠিকানার প্রমাণ হিসেবে ইউটিলিটি বিল এর কপি সংগ্রহ করুন। এছাড়া
ব্যবসার স্থানের কয়েকটি স্পষ্ট ছবি তুলে রাখতে পারেন। যা বিকাশ
মার্চেন্ট একাউন্ট লিমিট বাড়ানোর আবেদনের সময় সহায়ক হতে পারে। সব শেষে গত
তিন থেকে ছয় মাসের লেনদেনের বিবরণী প্রস্তুত রাখুন।
বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট লিমিট বাড়ানোর সরাসরি আবেদন পদ্ধতি
বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্টে লিমিট বাড়ানোর সবচেয়ে সহজ প্রত্যক্ষ পদ্ধতি হলো বিকাশে নিজস্ব গ্রাহক সেবা কেন্দ্রে যোগাযোগ করা। আপনার নিকটস্থ বিকাশ সেবা কেন্দ্র বা অফিসে গিয়ে বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট লিমিট বাড়ানোর আবেদন করা সম্পর্কে জানতে পারেন। সেখানে কর্তৃপক্ষ আপনাকে একটা আবেদন ফরম সরবরাহ করবে। যা আপনাকে সঠিক ভাবে পূরণ করতে হবে। ফর্মে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবসার বিবরণ বর্তমান লিমিট এবং নতুন কাঙ্ক্ষিত লিমিট উল্লেখ করতে হবে।
আরো পড়ুনঃ ফেসবুক আইডি হ্যাক হলে উদ্ধারের কয়েকটি উপায়
এরপর প্রস্তুতকৃত সকল কাগজপত্রের সত্যায়িত কপি ফরমের সাথে সংযুক্ত করে জমা দিতে
হবে। সেবা কেন্দ্রের প্রতিনিধি আপনারা কাগজপত্র যাচাই করবেন এবং একটি রিসিট বা
আবেদন নম্বর প্রদান করবেন। এই নম্বরটি সংরক্ষণ করুন। যাতে পরে বিকাশ মার্চেন্ট
একাউন্ট লিমিট বাড়ানোর আবেদনের অগ্রগতি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে পারেন। আবেদন জমা
দেওয়ার পর সাধারণত ৭ থেকে ১৪ কার্যদিবসের মধ্যে কর্তৃপক্ষ প্রক্রিয়া সম্পন্ন
করে।
অনলাইনে বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট লিমিট বাড়ানোর আবেদন পদ্ধতি
ডিজিটাল যুগে বসে থেকে অনলাইন বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট লিমিট বাড়ানোর আবেদন সম্পন্ন করা সম্ভব। প্রথমে আপনার মার্চেন্ট ড্যাশবোর্ডে লগইন করুন এবং সেটিংস বা অ্যাকাউন্ট ম্যানেজমেন্ট বিভাগে যান। সেখানে লিমিট ইনক্রিজ বা লেনদেন সিমাবৃদ্ধি সম্পর্কিত কোন অপশন থাকলে সেটি ক্লিক করুন। বিকাশের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে মার্চেন্ট সেকশনে গিয়েও অনেক সময় এই ধরনের আবেদন ফরম পাওয়া যায়।
অনলাইন ফরমটি সাবধানে পূরণ করুন যাতে কোন তথ্য ভুল বা অসম্পূর্ণ না থাকে। এরপর স্ক্যান করা বা স্পষ্ট ফটো তোলার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সফট কপি আপলোড করতে হবে। বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট লিমিট বাড়ানোর আবেদন এর অনলাইন ভার্সনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সঠিক ফাইল ফরমেটে এবং নির্দিষ্ট সাইজের মধ্যে ডকুমেন্ট আপলোড করা। সাধারণত পিডিএফ জেপিইজি বা পিএনজি ফরমেট গ্রহণযোগ্য হয়।
বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট লিমিট বাড়ানোর আবেদন পত্র লেখার নমুনা ও টিপস
আবেদন পত্রটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটির মাধ্যমে আপনি আপনার যৌক্তিকতা তুলে ধরবেন। প্রথমে শিরোনামে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করুন বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট লেনদেনসীমা বৃদ্ধির আবেদন। প্রথম অনুচ্ছেদে আপনার মার্চেন্ট আইডি ব্যবসা নাম ও ধরণ এবং যোগাযোগের তথ্য দিন। দ্বিতীয় অনুচ্ছেদে বর্তমান লিমিট এবং আপনার ব্যবসার প্রসারিত চাহিদার কথা উল্লেখ করুন। বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট লিমিট বাড়ানোর আবেদন পদ্ধতি এর ক্ষেত্রে আবেদন পত্রের ভাষা সুস্পষ্ট অভিনয় হওয়া আবশ্যক।
তৃতীয় অনুচ্ছেদে নতুন কাঙ্ক্ষিত লিমিট উল্লেখ করুন এবং এই সীমা বাড়ানোর যৌক্তিক
কারণগুলি সংক্ষেপে বর্ণনা করুন। যেমন ব্যবসার সম্প্রসারণ নতুন শাখা খোলা মৌসুমী
চাহিদা বৃদ্ধি বা বড় আদার গ্রহণ ইত্যাদি। বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্টের অংশ হিসেবে
আবেদন পত্রে গত কয়েক মাসের আপনার লেনদেনের পরিমাণ এবং ভবিষ্যৎ প্রক্ষেপণ উল্লেখ
করা যেতে পারে। এটি কর্তৃপক্ষকে আপনার চাহিদা সত্যতা যাচাই করতে সহায়তা করবে।
আবেদন জমা দেওয়ার পর করণীয় ও ফলো আপ
আবেদন জমা দেওয়ার শেষ কথা নয় ফলোআপ প্রক্রিয়াটি ও সমান গুরুত্বপূর্ণ। আপনার আবেদনের রিসিট বা রেফারেন্স নম্বরটি সুরক্ষিত রাখুন এবং সম্ভবত এটি নির্দিষ্ট সময় পর বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট মিনিট বাড়ানোর আবেদনের অগ্রগতি জানতে এটা ব্যবহার করুন। সাধারণত উল্লিখিত সময়ের মধ্যে যদি কোন সাড়া না পান। তবে গ্রাহক সেবা কেন্দ্রে ফোন করে আপনার আবেদনের অবস্থান জিজ্ঞাসা করতে পারেন।
আরো পড়ুনঃ প্রতিদিন ১০০০ টাকা ইনকাম করুন
আবেদন প্রক্রিয়া চলাকালীন কোন অতিরিক্ত তথ্য বা কাগজ পত্রের চাহিদা আসতে পারে।
সেজন্য প্রস্তুত থাকুন। আপনার ইমেইল ইনবক্স এবং এস এম এস নিয়মিত চেক করুন। কারণ
কর্তৃপক্ষ এই মাধ্যমেই যোগাযোগ করতে পারে। বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট লিমিট
বাড়ানোর আবেদনের সফল সমাপ্তির জন্য আপনার অ্যাকাউন্টের সাথে যুক্ত মোবাইল
নম্বরটি সর্বদা সক্রিয় রাখা জরুরি। কোন নোটিফিকেশন মিস করলে পুরো প্রক্রিয়া
করতে পারে।
শেষ কথাঃ বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট লিমিট বাড়ানোর আবেদন পদ্ধতি
বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট লিমিট বাড়ানোর আবেদন পদ্ধতি সম্পর্কে আর্টিকেলে আমরা
বিস্তারিতভাবে আলোচনা করেছি। বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট লিমিট বাড়ানোর মাধ্যমে
আপনি অসংখ্য সুবিধায় ভোগ করতে পারবেন। প্রথমত এটি আপনার ব্যবসার ডিজিটাল
উপস্থিতি ও গ্রহণযোগ্যতা বাড়ায়। গ্রাহকদের কাছে বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরি করে।
দ্বিতীয়ত নগদ অর্থ হাতে রাখার ঝুঁকি কমে এবং সম্পূর্ণ ডিজিটাল ট্রানজেকশন এর
মাধ্যমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়। তৃতীয়ত উজ্জল লিমিটের কারণে বড় অর্ডার গ্রহণে
আপনি আরও আত্মবিশ্বাসী হবেন এবং ব্যবসার সম্প্রসারণ সহজ হবে।
মনে রাখবেন এটি সময় ও শ্রম সাশ্রয় করে। কারণ বারবার টাকা উত্তোলনের ঝামেলা থেকে
আপনি মুক্তি পান। বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট লিমিট বাড়ানোর প্রক্রিয়াটি একটু
কটমটে মনে হলেও সঠিক প্রস্তুত ধারাবাহিক পদক্ষেপের মাধ্যমে এটি অত্যন্ত সহজে
সম্পন্ন করা সম্ভব। এই আর্টিকেলে উল্লেখিত বিকাশ মার্চে রেকর্ড লিমন
বাড়ানোর আবেদন করার পদ্ধতি এর প্রতিটি ধাপ অনুসরণ করুন। প্রয়োজনীয়
কাগজপত্র প্রস্তুত রাখুন এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করুন। আপনার ব্যবসার
প্রবৃদ্ধি ও ডিজিটাল রূপান্তরের এই গুরুত্বপূর্ণ ধাপটি সফল হোক। শুভ কামনা
রইল।



ST Bangla Hub নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url