মোবাইলে পিডিএফ বানাব কিভাবে
মোবাইলে পিডিএফ বানাব কিভাবে বর্তমানে এই প্রশ্নটি প্রায় সবার মনেই জেগে ওঠে। স্মার্টফোন এখন শুধু যোগাযোগের যন্ত্রই নয়, এটি একটি বহুমুখী প্রোডাক্টিভিটি ডিভাইস। মোবাইল ফোনে এখন আমরা চিঠিপত্র, প্রয়োজনীয় সবকিছু সংরক্ষণ করি।
আজকের এই আর্টিকেলে আপনি শিখবেন কিভাবে এন্ড্রয়েড ও আইফোনে বিনামূল্যে এবং প্রিমিয়াম অ্যাপ ব্যবহার করে দাপ্তরিক স্তরের পিডিএফ তৈরি করবেন এবং সুরক্ষিত করবেন। আপনার হাতে থাকা মোবাইলই পিডিএফ তৈরির স্টুডিও।
পেজ সূচিপত্রঃ মোবাইলে পিডিএফ বানাব কিভাবে
-
মোবাইলে পিডিএফ বানাব
কিভাবে
-
পিডিএফ কখন মোবাইলে তৈরি করবেন
-
পিডিএফ তৈরির আগে কি কি প্রস্তুতি নিবেন
-
এন্ড্রয়েড ফোনে বিনামূল্যে পিডিএফ তৈরির সেরা অ্যাপসমূহ
-
আইফোনে পিডিএফ তৈরির নেটিভ থার্ড পার্টি উপায়
-
ক্যামেরা দিয়ে ডকুমেন্ট স্ক্যান করে পিডিএফ তৈরি
-
টেক্সট বা নোট থেকে সরাসরি পিডিএফ তৈরির পদ্ধতি
-
ওয়েবপেজ কিংবা ইমেজ থ্রেডকে পিডিএফ এ রূপান্তর
-
একাধিক ইমেজ বা ফাইলকে একটি পিডিএফ এ মার্কস করার নিয়ম
-
শেষ কথাঃ মোবাইলে পিডিএফ বানাব কিভাবে
মোবাইলে পিডিএফ বানাব
কিভাবে
মোবাইলে পিডিএফ বানাব কিভাবে এই সম্পর্কে এখন প্রায় অনেকেই জানার ইচ্ছা প্রকাশ করে থাকেন। এটি শিখে নিলে আপনি হয়ে উঠতে পারেন সম্পূর্ণ স্বয়ংসম্পূর্ণ। এই আর্টিকেলে আপনাকে শেখাবো কিভাবে কোন কম্পিউটার ছাড়াই শুধু মোবাইল দিয়ে প্রফেশনাল মানের পিডিএফ তৈরি করবেন। যেটি দেখে কেউ বুঝতেই পারবে না যে এটি মোবাইলে তৈরি।
মোবাইলে পিডিএফ বানানোর জন্য প্রথমে আপনাকে টেক্সট টু পিডিএফ লিখে প্লে স্টোর বা
গুগলে সার্চ করতে হবে। তারপর আপনার সামনে একটি টেক্সট টু পিডিএফ নামে অ্যাপস
আসবে। অ্যাপসটি আপনাকে ডাউনলোড করে নিতে হবে।
অ্যাপসটি ডাউনলোড করে নেওয়ার পর অ্যাপসটি আপনাকে ওপেন করতে হবে। অ্যাপসটি
ওপেন করার পর আপনার সামনে একটি ইন্টারফেস চলে আসবে। সেখানে দেখবেন ক্রিয়েট
পিডিএফ নামে একটি বাটন থাকবে। সেখানে আপনাকে ক্লিক করতে হবে।
ক্রিয়েট পিডিএফ বাটন একটি ক্লিক করার পর আপনার কাছে আরেকটি ইন্টারফেস চলে আসবে।
যেখানে আপনি পিডিএফ এর জন্য কালার, পিডিএফ এর টাইটেল এবং আপনি যে বিষয়টি
পিডিএফ করতে চাচ্ছেন। সে বিষয়টি ডিটেলসে লিখে প্রসেস বাটনে ক্লিক
করলেই আপনি খুব সহজে একটি পিডিএফ তৈরি করতে পারবেন। মোবাইল দিয়ে পিডিএফ
বানানো খুবই সহজ। যদি আপনার বিষয়টি জানা থাকে।
এছারাও মোবাইলে পিডিএফ বানানোর সবচেয়ে সহজ উপায় হলো গুগল ড্রাইভ অ্যাপস ব্যবহার করা। আপনার এন্ড্রয়েড বা আইফোনের গুগল ড্রাইভ ইনস্টল করুন। অ্যাপটি ওপেন করে নিচের ডান কোনায় থাকা প্লাস বাটনে টেস্ট করুন। সেখান থেকে স্ক্যান অপশনটি নির্বাচন করুন। এবার আপনার ক্যামেরা ওপেন হবে। যে ডকুমেন্টটি স্ক্যান করতে চান। তার সমতল জায়গায় রাখুন এবং ভাল আলোর নিচে নিয়ে আসুন। ক্যামেরাটি ডকুমেন্ট এর উপর ধরতেই এটি স্বয়ংক্রিয় ভাবে স্ক্যান করবে, প্রান্ত সনাক্ত করবে।
আরো পড়ুনঃ ফেসবুক আইডি হ্যাক হলে উদ্ধারের কয়েকটি উপায়
স্ক্যান শেষে আপনি কালার মোড পরিবর্তন করতে পারবেন। রঙ্গিন সাদা কালো বা গ্রেস্কেল একাধিক পৃষ্ঠায় যোগ করতে প্লাস বাটনে ক্লিক করুন। সব শেষে সেভ করলেই আপনার ডকুমেন্টে একটি পরিস্কার পিডিএফ ফাইল হিসেবে গুগল ড্রাইভ এ সংরক্ষিত হবে। এই মোবাইল পিডিএফ বানানোর পদ্ধতিটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এবং গোপনীয়তা সম্মত। যদি আপনি আরো বেশি নিয়ন্ত্রণ এবং ফিচার চান। তাহলে এডোব স্ক্যান অ্যাপটি ডাউনলোড করুন। এটিআইওএস এবং এন্ড্রয়েড উভয় প্লাটফর্মেই রয়েছে।
পিডিএফ কখন মোবাইলে তৈরি করবেন
পিডিএফ বা পোর্টেবল ডকুমেন্ট ফরম্যাট ডিজিটাল জুনিয়র সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও সার্বজনীন। ফাইল ফরমেট এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হল যে কোন ডিভাইসে একই ফর্মেটিং ফ্রন্ট ও লেআউট এ ফাইলটি দেখা যায়। এখন মোবাইলে পিডিএফ কিভাবে বানাবেন। এই প্রশ্নটির প্রাসঙ্গিকতা তখনই খুঁজে পাওয়া যায়। যখন আপনার কাছে কম্পিউটার নেই। অথবা তাৎক্ষণিক ভাবে কোন ডকুমেন্ট তৈরি করে পাঠাতে হয়। কল্পনা করুন আপনি বাইরে আছেন এবং জরুরি একটি চুক্তিপত্র সই করে ফেরত দিতে হবে। অথবা আপনি একজন শিক্ষার্থী ক্লাসের নোট গুলি সুন্দরভাবে অর্গানাইজ করে।
একটি পিডিএফ নোটবুক বানাতে চান। এসব ক্ষেত্রে সরাসরি মোবাইলে পিডিএফ বানানোর দক্ষতা আপনাকে বিপুল সুবিধা দেবে। মোবাইল দিয়ে পিডিএফ তৈরি করা শুধু দ্রুততরই নয়। এতে আরো বেশি এক্সেসিবল আপনি ক্যামেরা ব্যবহার করে সরাসরি কোন কাগজের ডকুমেন্ট কে স্ক্যান করে পিডিএফ বানাতে পারেন। যা ইন্সট্যান্ট ডিজিটাল আর্কাইভ তৈরি করে। আবার আপনি ওয়েব পেজ ইমেল ট্রেড বা সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট কেউ সহজেই পিডিএফ এ রূপান্তর করতে পারেন অফলাইন পড়ার জন্য।
পিডিএফ তৈরির আগে কি কি প্রস্তুতি নিবেন
মোবাইলে কিভাবে পিডিএফ বানাবেন তা জানার আগে কিছু প্রাথমিক প্রস্তুতির সম্পন্ন করলে কাজটি অনেক সহজ ও কার্যকর হবে। প্রথম প্রস্তুতি হল আপনার মোবাইল ডিভাইসটি চেক করা নিশ্চিত করুন। যে আপনার ফোনে পর্যাপ্ত স্টোরে জায়গা আছে। কারণ পিডিএফ ফাইলে এবং সংশ্লিষ্ট অ্যাপ গুলো কিছু জায়গা নেবে। দ্বিতীয়তঃ আপনার ইন্টারনেট সংযোগ স্থিতিশীল কিনা দেখুন। কারণ অনেক অ্যাপ ইনস্টলেশন বা ক্লাউড ভিত্তিক ফিচার এর জন্য ইন্টারনেট দরকার হয়। যদিও পরে অফলাইনেও কাজ করা যায়।
তৃতীয় তো আপনি কোন ধরনের পিডিএফ তৈরি করতে চান, তা ভেবে নিন। যেমন স্ক্যান করা
ডকুমেন্ট টেক্সট ভিত্তিক ডকুমেন্ট ইমেজ থেকে তৈরি পিডিএফ নাকি ওয়েব পেজের
পিডিএফ। চতুর্থ প্রস্তুতি হলো একটি সঠিক অ্যাপ নির্বাচন করা। গুগল প্লে স্টোর এ
পিডিএফ স্ক্যানার ইত্যাদি লিখে সার্চ করে রিভিউ এবং রেটিং দেখে নিন। কিছু অ্যাপ
ফ্রিতে কাজ করে। আবার কিছু অ্যাপ প্রিমিয়াম ফিচারের জন্য সাবস্ক্রাইবশন নেয়।
অ্যান্ড্রয়েড ফোনে বিনামূল্যে পিডিএফ তৈরির সেরা অ্যাপসমূহ
এন্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য মোবাইলে পিডিএফ কিভাবে বানাবেন, তার উত্তরের প্রথম অংশ হলো একটি নির্ভরযোগ্য ফি অ্যাপ খুঁজে বের করা। গুগল প্লে স্টোরে শতাধিক অ্যাপ থাকায় বাছাই করা কঠিন হয়ে যেতে পারে। সবার শীর্ষে রয়েছে গুগল এ নিজস্ব গুগল ড্রাইভ অ্যাপ। অ্যাপ শুধু ফাইল স্টোরেজ নয়। এই অ্যাপের মধ্যে থাকা স্ক্যান ফিচারটি অসাধারণ। আপনি ক্যামেরা তুলে কোন কাগজের ডকুমেন্ট স্ক্যান করতে পারেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে একটি পরিষ্কার পিডিএফ তৈরি করতে পারেন।
এটি অটোমেটিক ভাবে এজ ডিটেক্ট করে। ক্রপ করে এবং ইমেজ ইন হান্স করে। এটি মোবাইলে পিডিএফ বানানোর সবচেয়ে সহজ এবং বিশ্বস্ত উপায়। দ্বিতীয়ত জনপ্রিয় অ্যাপ হলো পিডিএফ স্ক্যানার এই অ্যাপটিও সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এবং পেশাদার মানের ফলাফল দেয়। এটি টেক্সট রিকগনিশন সাপোর্ট করে। অর্থাৎ স্ক্যান করা পিডিএফ এর লেখা কপি বা সার্চ করা যায়। এডোবি স্ক্যান স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্ক্যান করে দাগ সব সরিয়ে এবং কনস্টার্স ঠিক করে একটি পরিষ্কার পিডিএফ দেয়।
আইফোনে পিডিএফ তৈরির নেটিভ ও থার্ড পার্টি উপায়
আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্য মোবাইলে কিভাবে পিডিএফ বানাবেন তার উত্তর শুরু হয় অ্যাপেল এর নিজস্ব বিল ফিচার গুলো দিয়ে। যা অনেকেরই অজানা। আই ও এস এর নোটস অ্যাপ একটি শক্তিশালী পিডিএফ ক্রিয়েটর। নতুন নোট খুলে ক্যামেরা আইকনে ক্লিক করে স্ক্যান ডকুমেন্টস নির্বাচন করুন। ক্যামেরা ডকুমেন্ট এর উপর ধরতেই এটি অটো ক্যাপচার করবে এবং আপনি একাধিক পৃষ্ঠায় স্ক্যান করতে পারবেন।
স্ক্যান শেষে সেভ এ ক্লিক করলেই এটি আপনার নোটস এ একটি পরিষ্কার পিডিএফ হিসেবে
সংরক্ষিত হবে। এটি মোবাইলে পিডিএফ বানানোর সবচেয়ে দ্রুত ও গোপনীয়তা সম্মত
উপায়। কারণ কোন ডাটা থার্ড পার্টি সার্ভারে যায় না। দ্বিতীয় নেটিভ উপায় হল
ফাইলস অ্যাপ এবং প্রিন্ট অপশন ব্যবহার করা। আপনি সাফারি ব্রাউজারে কোন ওয়েব পেজ
কিংবা মেইল অ্যাপের কোন ইমেইল ওপেন করে শেয়ার বাটনে ট্যাপ করুন। তারপর স্কল করে
প্রিন্ট অপশন খুঁজুন।
ক্যামেরা দিয়ে ডকুমেন্ট স্ক্যান করে পিডিএফ তৈরি
মোবাইলে পিডিএফ কিভাবে বানাবো তার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত পদ্ধতি হলো সরাসরি ক্যামেরা দিয়ে ডকুমেন্ট স্ক্যান করা। ধরা যাক আপনি আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র এটি রিপোর্ট বা হাতে লেখা নোটের পিডিএফ ভার্সন চান। প্রথমে আপনার পছন্দের স্ক্যানিং অ্যাপ ওপেন করুন। অ্যাপটি সাধারণত একটি ক্যামেরা বিয়োগ খুলে দেবে। আপনার টার্গেট ডকুমেন্টে একটি সমতল জায়গায় রাখুন এবং উপরে থেকে ভালো আলো পড়ছে নিশ্চিত করুন।
আরো পড়ুনঃ ক্যানভা প্রো ফ্রিতে এক্টিভ করার সহজ উপায়
ক্যামেরার ভিউতে ডকুমেন্ট এর চারটি কোনা যাতে দৃশ্যমান হয়। সেভাবে ফোনটি ধরুন।
দ্বিতীয় ধাপে ফোনটি ডকুমেন্ট এর উপর নির্দিষ্ট দূরত্বে ধরতেই বেশিরভাগ আধুনিক
অ্যাপ স্বয়ংক্রিয় ভাবে ডকুমেন্টের এজ শনাক্ত করে। একটি হলুদ বা নীল বর্ডার তৈরি
করবে যদি অটো ক্যাপচার না হয়। তাহলে ম্যানুয়ালি শাটার বাটন চাপুন। অ্যাপ
ডকুমেন্টের একটি পরিষ্কার শট নেবে।
টেক্সট বা নোট থেকে সরাসরি পিডিএফ তৈরির পদ্ধতি
আপনি যদি মোবাইলে কোন লেখা লিখে তা সরাসরি পিডিএফ বানাতে চান। তাহলে মোবাইলে পিডিএফ কিভাবে বানাবেন তার আরেকটি সহজ রাস্তা আছে। প্রথম পদ্ধতি মোবাইলের জন্য মাইক্রোসফট ওয়ার্ড বা গুগল ডকস অ্যাপ ব্যবহার করা। ওয়ার্ড অ্যাপে একটি নতুন ডকুমেন্ট খুলুন। আপনার সমস্ত কন্টেন্ট টাইপ করুন। ফরমেট করুন লেখা শেষ হলে উপরের তিন ডট মেনুতে ক্লিক করুন। সি ব্যাস বা এক্সপার্ট অপশন খুঁজুন। সেখান থেকে পিডিএফ সিলেট করুন। তারপর পিডিএফ এর কোয়ালিটি এবং পৃষ্ঠা সেটিং চেক করে এক্সপার্ট বা সেভ এস পিডিএফ বাটনে ট্যাপ করুন।
আপনার ফোনে ডাউনলোড হয়ে যাবে। আরেকটি পদ্ধতি হলো নোটস অ্যাপ ব্যবহার করা। অ্যান্ড্রয়েডে গুগল কিপ বা স্যামসাং নোট স্কিন বা আইফোন এর নোটস অ্যাপ এ আপনি নোট লিখতে পারেন এবং তা শেয়ার করতে গিয়ে শেয়ার এজ পিডিএফ বা প্রিন্ট টু পিডিএফ এর অপশন পেতে পারেন। সাধারণত শেয়ার বাটনে ট্যাপ করলে প্রিন্ট অপশন আসে এবং সেখান থেকে আমরা আগে শেখা পদ্ধতিতে পিডিএফ তৈরি করা যায়।
ওয়েব পেজ কিংবা ইমেইল থ্রেডকে পিডিএফ এ রূপান্তর
ইন্টারনেট ব্রাউজিং করার সময় অনেক গুরুত্বপূর্ণ ওয়েব পেজ আমরা পরে অফলাইনে পড়তে চাই। আবার ইমেইলের দীর্ঘ একটি আলোচনা কে সংরক্ষণ করতে চাইলে পিডিএফ তৈরি করে রেখে দেওয়া যায়। মোবাইলে পিডিএফ বানাব কিভাবে তার এই অংশটি আপনাকে সেই দক্ষতা শেখাবে। প্রথম ওয়েব পেজ থেকে পিডিএফ তৈরি করা যায়। আপনি যদি আইফোন ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন, সাফারি ব্রাউজার ওয়েব পেজ ওপেন করে শেয়ার বাটনে ট্যাপ করুন।
তারপর নিচে স্ক্রল করে প্রিন্ট অপশন খুজে বের করুন। প্রিন্ট প্রিভিউ স্ক্রিনে দুই
আঙ্গুল দিয়ে জুম আউট করলে পুরো পেজটি একটি পিডিএফ প্রিভিএ রূপান্তরিত হবে। এবার
শেয়ার বাটন ট্যাপ করে সেভ প্রোফাইল সিলেক্ট করলে পিডিএফ সেভ হয়ে যাবে।
অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য ক্রোম ব্রাউজারে একটি সহজ উপায় আছে। ওয়েবস
ওপেন করে তিন ডট মেনুতে ক্লিক করুন। ড্রপ ডাউন মেনু থেকে শেয়ার অপশনে ক্লিক
করুন। শেয়ার সিটে নিচে স্ক্রল করে প্রিন্ট আইকন খুঁজে নিন
একাধিক ইমেজ বা ফাইলকে একটি পিডিএফ এ মার্ক করার নিয়ম
প্রায়ই আমাদের কাছে আলাদা আলাদা ইমেজ বা ডকুমেন্ট থাকে। যেগুলোকে একসাথে একটি পিডিএফ ফাইলে আনা দরকার হয়। যেমন একাধিক ফটো বিভিন্ন স্ক্যান করা পৃষ্ঠা বা কয়েকটি ওয়ার্ড ফাইল। এই অধ্যায়ে আমরা শিখব মার্ক করার কৌশল। প্রথমে আপনার ফোনের গ্যালারি বা ফাইল ম্যানেজার অ্যাপ এ গিয়ে আপনি যে ছবি গুলো পিডিএফ এ যুক্ত করতে চাচ্ছেন। সেগুলো সিলেক্ট করুন। সিলেক্ট করার পর শেয়ার বাটনে ট্যাপ করুন। শেয়ার শিটে অনেক অ্যাপের আইকনের পাশাপাশি পিডিএফ এর অপশন থাকতে পারে।
আরো পড়ুনঃ ২০টি জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং শেখার প্রতিষ্ঠান
যদি থাকে তাহলে সেটি সিলেক্ট করলে সব ছবি একটির পর একটি পৃষ্ঠা হিসেবে
সাজানো দেখাবে। সেখান থেকে সেভ এস পিডিএফ করে নিতে পারেন। দ্বিতীয় এবং নিশ্চিত
পদ্ধতি হলো একটি মার্কিং অ্যাপ ব্যবহার করা। গুগল প্লে স্টোর বা অ্যাপ স্টোর এ
পিডিএফ মার্ক কম্বাইন পিডিএফ আই লাভ পিডিএফ ইত্যাদি সার্চ করুন। এডোবি এ ক্রবেট
রিডার এফ ইউ ফ্রিতে পিডিএফ কম্বাইন করার ফিচারটি রয়েছে। অ্যাপটি ওপেন করে
কম্বাইন ফাইলস বা মার্ক পিডিএফ অপশনে ক্লিক করুন।
শেষ কথাঃ মোবাইলে পিডিএফ বানাব কিভাবে
মোবাইলে পিডিএফ বানাব কিভাবে এই বিষয়ে বেসিক করার পর আপনি যদি পেশাদার স্তরে যেতে চান, তাহলে কিছু এডভান্স টিপস ফলো করুন প্রথম টিপস হলো ক্লাউড ইন্টিগ্রেশন। আপনার সব পিডিএফ কাজের জন্য গুগল ড্রাইভ ড্রপবক্স বা ওয়ান ড্রাইভ ব্যবহার করুন। স্ক্যান করা অ্যাপস গুলো সরাসরি গুগল ড্রাইভে সেভ করার অপশন দেয়। এতে আপনার সব ফাইল ব্যাকআপ থাকে এবং যেকোনো ডিভাইস থেকে এক্সেস করা যায়। অনেক ইমেজ বা ডকুমেন্ট কে আলাদা আলাদা পিডিএফ বানানোর বদলে আগে সবগুলোকে একটি ফোল্ডারে রাখুন এবং পরে মার্ক করুন।
যদি আপনার কাজের জন্য প্রতিদিন উচ্চ মানের পিডিএফ তৈরি এডিট এবং পরিচালনা করতে হয়। এডোবি প্রো বা পিডিএফ এলিমেন্টরের মতো অ্যাপস মাসিক ছোট অঙ্কের ফিতে অনেক বেশি টুলস ও সুরক্ষা দিয়ে থাকে। শেখা কখনই থামাবেন না। নতুন নতুন অ্যাপ আসছে নতুন ফিচার যোগ হচ্ছে। ব্লগ ইউটিউব টিউটোরিয়াল দেখে নিজের দক্ষতা আপডেট রাখুন। এই যাত্রায় আপনার স্মার্ট ফোনই হবে আপনার সবচেয়ে বড় সহকারি। এবার শুরু করুন এবং দেখুন কত সহজে আপনি একজন পিডিএফ মাস্টারে পরিণত হচ্ছেন।



ST Bangla Hub নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url